শাহাদাত হুসাইন ।।
মেঘনা নদীর ভাঙনে একে একে হারিয়ে যাচ্ছে লক্ষীপুর জেলার কমলনগর উপজেলা। একে একে তলিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন ইউনিয়ন। ১ নং চর কালকিনি ও ২ নং সাহেবের হাট ইউনিয়ন প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এদিকে এই উপজেলার আরো চারটি ইউনিয়ন; ৩ নং চর লরেঞ্চ, ৪ নং চর মাটিন, ৫ নং চর ফলকন ও ৬ নং পাটওয়ারির হাটও ভাঙনের কবলে পড়েছে। অন্যদিকে উপজেলার প্রসিদ্ধ বাজার নাজিরগঞ্জেরও অনেকাংশ নদীতে হারিয়ে গেছে।
স্থানীয়দের দাবি, নির্বাচনের আগে স্থানীয় সংসদ সদস্য বাঁধ নির্মাণ ও নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিলেও তার ১% ও তিনি বাস্তবায়ন করেন নি। উল্টো বাঁধ নির্মাণের টাকা আত্মসাত ও ভাগাভাগির অভিযোগ তো রয়েছেই। তবে স্থানীয় প্রতিনিধিরা কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করলেও বরাবরের মতোই এলাকার আলেম সমাজ ও যুবকরা এলাকা রক্ষায় এগিয়ে এসেছেন। প্রত্যেকেই আপন আপন স্থান থেকে যার যা সামর্থ্য আছে, তা নিয়েই বাঁধ নির্মাণে অংশগ্রহণ করেছেন। এলাকার আলেমরা পরামর্শের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে কাজ বন্টন করে নিয়েছেন। ইতিমধ্যেই এলাকার আলেম ও যুবকদের যৌথ উদ্যোগে নাজিরগঞ্জ বাজার রক্ষার্থে বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।
তারা জানিয়েছেন, এভাবে যদি প্রত্যেকেই আপন আপন স্থান থেকে স্বেচ্ছায় মাতৃভূমি রক্ষায় এগিয়ে না আসেন, তাহলে হয়তো একসময় পুরো উপজেলাটিই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। সাথে সাথে মজবুত বাঁধ নির্মাণের জন্যও তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সরকারের কাছেও জোর দাবি জানান।
















