বরিশালে লঞ্চের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু, সাড়া নেই যাত্রীদের

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: বরিশাল-ঢাকা নৌরুটে শুরু হয়েছে ঈদুল আজহা উপলক্ষে চলাচলকারী লঞ্চগুলোতে অগ্রিম কেবিন বুকিংয়ের কার্যক্রম। তবে এখনো এই কার্যক্রমের প্রতি যাত্রীদের মধ্যে তেমন সাড়া নেই। তাই টিকিট বুকিং কাউন্টারগুলোতে তেমন একটা ভিড় নেই বলেই জানা গেছে।

বরিশাল লঞ্চ মালিক সমিতি জানিয়েছে, গত রোববার সকাল ১০টা থেকে ঈদ উপলক্ষে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন এলাকায় লঞ্চগুলোর টিকিট বিক্রির কাউন্টারগুলোতে একযোগে শুরু হয় অগ্রিম টিকিট বিক্রির কার্যক্রম। এবার আগে এলে আগে পাবেন- এই ভিত্তিতে লঞ্চের কেবিন ও সোফার টিকিট দিচ্ছে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া ডেকের যাত্রীদের টিকিট প্রতিবারের মতো লঞ্চে উঠেই পাওয়া যাবে।

লঞ্চ মালিক সমিতি আরও জানান, বরিশাল-ঢাকা নৌ-পথে ২৪টির মতো বেসরকারি লঞ্চ ও রাষ্ট্রীয় সংস্থা বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিসি) পাঁচটি জাহাজ ও স্টিমার চলাচল করে। তবে এবারের ঈদে যাত্রীদের চাপের ওপর নির্ভর করবে ঈদের বিশেষ সার্ভিসের আওতায় লঞ্চের সংখ্যা কত হবে।

সুন্দরবন নেভিগেশন কোম্পানির বরিশাল কাউন্টারের ব্যবস্থাপক জাকির হোসেন জানান, করোনার প্রাদুর্ভাব শুরুর পর গত চার মাসে বরিশাল-ঢাকা নৌরুটে যাত্রীদের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। তার ওপর এবার ঈদে যাত্রীদের যাতায়াতের ইচ্ছাও কম। তাই অগ্রিম টিকিটের চাহিদা নেই বললেই চলে।

কীর্তনখোলা লঞ্চ কোম্পানির ব্যবস্থাপক বেল্লাল হোসেন জানান, ঈদে লঞ্চের কেবিনের টিকিট বিক্রি শুরু করেছেন তারা। যতক্ষণ পর্যন্ত কেবিন খালি থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই কার্যক্রম চালু থাকবে।

অগ্রিম টিকিট সংগ্রহে আসা যাত্রীরা জানান, অন্যান্য বছর ঈদের সময়ে কেবিনের টিকিট ছিলো সোনার হরিণের মতো। একটি টিকিটের জন্য অনেক কাঠখড় পোড়াতে হতো। ভাড়ার দ্বিগুণ দিলেও একটি টিকিট মিলতো না। কিন্তু এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। কাউন্টারগুলোতে কোনো ভিড় নেই। চাইলেই যে কেউ লঞ্চের অগ্রিম কেবিনের টিকিট পেতে পারে। এ জন্য ঈদ উপলক্ষে বুকিং দিতে এসে সঙ্গে সঙ্গেই টিকিট মিলে যাচ্ছে।

পূর্ববর্তি সংবাদপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপের আগ্রহ প্রকাশ ইমরান খানের
পরবর্তি সংবাদএমডির নির্দেশে সব হতো সাহাবউদ্দিন মেডিকেলে