

খেলাফত মজলিসের নেতৃদ্বয় বলেন, সারা বিশ্বে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে এ বছর কিছুটা ভিন্ন আঙ্গিকে উদযাপিত হচ্ছে ঈদ-উল- আযহা। আবার বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের তান্ডবের মধ্যেই বন্যার প্রকোপে দিশেহারা প্রায় ৩১টি জেলার মানুষ। বন্যাদুর্গত লাখো মানুষ দুর্বিসহ জীবন যাপন করছে। এ ভয়াবহ দুর্যোগের প্রেক্ষাপটে এব বছরের ঈদ-উল-আযহা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। সার্মথবান সবাইকে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পশু কুরবানী করতে হবে। এবং কুবানীকৃত পশুর গোস্ত দুর্দশাগ্রস্থ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।
কুরবানীকৃত পশুর গোস্তে গরীবদের যে হক রয়েছে তা তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। পশুর চামড়ার হকদার গরীরা যাতে চামড়ার ন্যায্য মূল্য পায় সে জন্য সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। গত বছর কুরবানীল পশুর চামড়ার দাম পায়নি মানুষ। গত বছরের মত এবছর চামড়ার দাম নিয়ে যাতে কোন বিশৃঙ্খলা না হয় সে ব্যবস্থা করতে হবে। একই সাথে সবাইকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে সতর্কতার সাথে পশু ক্রয় ও কুরবানীর কার্য সম্পাদন করতে হবে।
শুভেচ্ছা বাণীতে নেতৃদ্বয় করোনার প্রাদুর্ভাবে মৃত্যুবরণকারীদের জন্য গভীর সমবেদনা জানান এবং আক্রান্ত ও অসুস্থদের আশু সুস্থতা কামানা করেন। আশা প্রকাশ করেন যে, পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও মহান আল্লাহর সাহায্যের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর চলমান করোনা দুর্যোগ, বিশেষকরে বাংলাদেশের মানুষ করোনা ও বন্যার মহাদুর্যোগ উত্তরণে সক্ষম হবে।
সেইসাথে নেতৃদ্বয় বাংলাদেশের জনগণ ও মুসলিম উম্মাহসহ বিশ্ববাসীর শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
















