ইসলাম টাইমস ডেস্ক: বরিশালে প্রবল বৃষ্টিপাত ও অস্বাভাবিক জোয়ারের কারণে ডুবে গেছে বহু এলাকা। পাশাপাশি বরিশাল নগরীর নিম্নাঞ্চল থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ অনেক এলাকাগুলো পানিতে ডুবে গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
রবিবার রাত ১০টায় পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সন্ধ্যায় বরিশালের কীর্তণখোলা নদী, বাকেরগঞ্জের বুড়িশ্বর নদী, গৌরনদীর টরকী নদী, ভোলার তেতুলিয়া নদী, দৌলতখানে সুরমা-মেঘনা নদী, ঝালকাঠির বিষখালি নদী, বামনা বিষখালি নদী, পাথরঘাটা বিষখালি নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে।
এছাড়া পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ পায়রা নদী, আমতলীর পায়রা নদী, পিরোজপুরের কচা-বলেশ্বর নদীর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। তবে রবিবার সকাল থেকে কীর্তণখোলা সহ বিভাগের নদ নদীর পানি বিপদসীমার নিচে রয়েছে। জোয়ারের কারণে যেসব এলাকায় পানি উঠেছে সেগুলো নামতে পারছে না অচল ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও ভরাট হওয়া খালগুলোর জন্য।
বরিশালের দ্বীপ উপজেলা মেহেন্দিগঞ্জের পাতারহাট বন্দর, বাকেরগঞ্জের কবাই, নলুয়া, দূর্গাপাশাসহ অনেক এলাকার মানুষ পানিবন্দী হয়ে রয়েছে। এছাড়াও হিজলার পুরাতন হিজলা, হরিনাথপুর, গুয়াবাড়িয়া, ধুলখোলাসহ কয়েকটি ইউনিয়নবাসী পানিবন্দী। অস্বাভাবিক জোয়ারের কারণে বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ, চড়বাড়িয়া, রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নে কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দী। পাশাপাশি নগরীর বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাটে পানি জমে থাকতে দেখা গেছে।
এদিকে প্রতিদিনের মত সকাল থেকে বরিশালে বৃষ্টিপাতের কারণে জনজীবনে দুর্ভোগ আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। একদিকে জোয়ারের পানিতে ডুবেছে বিভিন্ন এলাকা আবার অপরদিকে টানা বৃষ্টিপাতে এই পানি আরো বাড়িয়ে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। অনেকে বলেছেন ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল না থাকার কারণে পানি নামতেও পারছে না।
বরিশাল আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক মাসুদ রানা রুবেল বলেন, মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকার কারণে এবং দক্ষিণ-পূবাল বাতাস নদ নদীতে পানি বৃদ্ধির একটি কারণ। পাশাপাশি অব্যাহত বৃষ্টির কারণে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানান আবহাওয়া অফিসের এই কর্মকর্তা। পানি উন্নয়ন বোর্ড বরিশালের সহকারি প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল জানান, রবিবার সকাল থেকে বরিশাল বিভাগের নদ নদীর পানি বিপদসীমার নিচে রয়েছে।
















