ইসলাম টাইমস ডেস্ক: ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের সঙ্গে দোয়ারিকা পুরনো ফেরিঘাট সড়কের ১০০ ফুট এলাকা হঠাৎ দেবে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এতে করে পথচারী ও যানবাহন চালকসহ ইটভাটা মালিকরা সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন।
বুধবার সকালে হঠাৎ ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের সঙ্গে দোয়ারিকা ফেরিঘাটের সংযোগ সড়কের মানিককাঠী স্টেশন থেকে ৫ গজ দূরত্বে ৫০ ফুট এলাকাজুড়ে ফাটল দেখা যায়।
বিকালে প্যাদা বাড়ির ১০০ ফুট এলাকাজুড়ে সুগন্ধ্যা নদীতে দেবে গিয়ে যানবাহনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
জানা যায়, অতিবৃষ্টি ও গেল বন্যার কারণে এক সপ্তাহ আগে ৫০ ফুট এলাকাজুড়ে ফাটল ধরে। দোয়ারিকা ফেরিঘাটের সঙ্গে বিকল্প কোনো রাস্তা না থাকায় ইটভাটা মালিক ও এলাকার লোকজনসহ পথচারীদের যাতায়াত করতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
রহমতপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সরোয়ার মাহমুদ জানান, উপজেলার মধ্যে দোয়ারিকা পুরাতন ফেরিঘাট এলাকায় ২২টি ইটভাটা গড়ে ওঠায় বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন ইট ক্রয় করতে পুরনো ফেরিঘাটে আসেন যানবাহন নিয়ে।
৩ কিলোমিটার সড়ক জনপথ বিভাগের থাকা সত্ত্বেও তারা এ রাস্তাটি ১৬ বছর আগে সংস্কারের কাজ বন্ধ করায় ইটভাটা মালিকরা পুরনো মহাসড়কটি সংস্কার করে আসছেন। কিন্তু সুগন্ধ্যা নদীর ভাঙনে মহাসড়কটি দেবে যাওয়ায় মালিকসহ এলাকাবাসী পড়েছে উভয় সংকটে।
















