ই-ভ্যালীর ব্যবসা পর্যালোচনায় ৭ সদস্যের কমিটি গঠন, নেই ইসলামী আইনবিদদের কেউ

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: ই-ভ্যালীর ব্যবসায় পদ্ধতি পর্যালোচনা করতে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) ৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। ই-ক্যাবের সদস্য প্রতিষ্ঠান ইভ্যালী সম্পর্কে পত্রিকায় প্রতিবেদন এবং বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের তথ্য চাওয়ার আলোকে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এ কমিটি গঠন করে দেয় ই-ক্যাব। তবে এতে শরয়ী বিধান মোতাবেক ই-ভ্যালির কার্যক্রম জায়েয-নাজায়েয যাচাই করার জন্যে কোনো আলেমকে রাখা  হয়নি। অথচ ইতিমধ্যে ই-ভ্যালির বিভিন্ন কার্যক্রমের বৈধতা নিয়েও আলেমদের কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ই-ক্যাব জানায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষক ও ই-ক্যাবের ১ জন প্রতিনিধি রয়েছেন এই কমিটিতে। এদের মধ্যে দুইজন পেমেন্ট বিষয়ে, একজন আন্তর্জাতিক ব্যবসায়, একজন ই-কমার্স স্ট্রেটিজিস্ট ও একজন ই-কমার্স গবেষক রয়েছেন। এছাড়া একজন আইনজ্ঞ এই কমিটিতে যুক্ত হয়েছেন।

কমিটির সদস্যরা হলেন, ড. বি এম মইনুল হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক, তথ্য প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট (আই আই টি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ড. রাফি উদ্দীন আহমেদ, ই-লার্নিং স্ট্যাটিজিস্ট, সহযোগী অধ্যাপক, মার্কেটিং বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, মোঃ ইফতেখারুল আমিন, সহযোগী অধ্যাপক, আইবিএ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ড. সূবর্ণ বড়ুয়া, সহকারী অধ্যাপক, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ফায়সাল মাহমুদ সজিব, এসিএ, ফাউন্ডার এন্ড পার্টনার: এসিসিফিনট্যাক্স, ব্যরিস্টার শাওন এস নোবেল, (শাওন নোবেল এন্ড এসোসিয়েট),  সাদরুদ্দীন ইমরান, চেয়ারম্যান, ইক্যাব রিসার্চ স্ট্যান্ডিং কমিটি, সিইও, ইনোভেশন কনসাল্টিং প্রাইভেট লিমিটেড।(সমন্বয়কারী)।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ই-ভ্যালি এবং এজাতীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শরয়ী বিধান গবেষণার জন্যেও দেশের নির্ভরযোগ্য মুফতিদের একটি টিম থাকা উচিত, যাতে সাধারণ মুসলমানগণ হালাল উপায়ে কেনাবেচা করতে পারেন। সে ধারাবাহিকতায় ই-ভ্যালির কার্যক্রমকে শরয়ী দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করে জনগণকে এর সঠিক বিধান জানানোর দাবি করেছেন ক্রেতাদের অনেকে।

পূর্ববর্তি সংবাদখাগড়াছড়িতে ব্রাশ ফায়ারে হত্যা করে লাশ নিয়ে গেলো সন্ত্রাসীরা
পরবর্তি সংবাদফের লেবাননে ম্যাক্রোঁ: নতুন প্রধানমন্ত্রীকে কী বলে গেলেন