ইসলাম টাইমস ডেস্ক: চলতি মাসেই ইরাক থেকে সেনা কমাবে অ্যামেরিকা। বেশ কয়েকটি ক্যাম্প থেকে এরিমধ্যে সৈন্য প্রত্যাহারও করা হয়েছে ৷ বর্তমানে গ্রিন জোন, বাগদাদের কূটনৈতিক এলাকা, আল আসাদ বিমান ঘাঁটিতে দেশটির সেনাসদস্য রয়েছে৷ গত নভেম্বরে আল আসাদ বিমান ঘাঁটিতে সৈন্যদের সঙ্গে দেখা করেছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট পেন্স৷
প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প তাঁর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পালন করতে চান। তিনি অ্যামেরিকাকে অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধের হাত থেকে রেহাই দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত এসেছে একটি মার্কিন পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের পর। সেখানে হোয়াইট হাউসের সূত্র জানিয়েছে, ট্রাম্প মৃত অ্যামেরিকান সেনাদের ‘লুসার্স’ বলেছেন। তবে ট্রাম্প এই কথা অস্বীকার করেছেন।
অ্যামেরিকার সেন্ট্রাল কম্যান্ডের কম্যান্ডার ফ্র্যাঙ্ক ম্যাকেনজি জানিয়েছেন, এখন ইরাকে পাঁচ হাজার ২০০ জন সেনা আছেন। এই সংখ্যা তিন হাজারে নামিয়ে আনা হবে। তাঁর দাবি, ”অ্যামেরিকা তাদের চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছতে চায়। সেটা হলো, ইরাকি সেনা বাহিনীকে তৈরি করে দেয়া, যাতে তারা আইএসের মোকাবিলা করতে পারে এবং বাইরের কারো সাহায্য ছাড়াই ইরাকে শান্তি ও সার্বভৌমত্ব বজায় রাখতে পারে।’
প্রশাসনের এক কর্তা জানিয়েছেন, আফগানিস্তান থেকেও মার্কিন সেনা সরানোর কাজ আগামী দিনে শুরু হয়ে যাবে। ২০০১ থেকে মার্কিন সেনা আফগানিস্তানে আছে। ইরাকে আছে ২০০৩ থেকে। ২০১১-তে তাঁরা ফিরে আসেন। আবার ২০১৪-তে ইরাকে মার্কিন সেনা পাঠানো হয়। কারণ, তখন আইএস ইরাকের অধিকাংশ জায়গায় আধিপত্য কায়েম করে ফেলেছিল।
সেনা কমাবে জার্মানিও
শুধু অ্যামেরিকাই নয় ইরাক থেকে সেনা কমাবে জার্মানিও। জার্মান সরকার বুধবার জানিয়েছে, ইরাক থেকে সেনা কমিয়ে ফেলা হবে। সেখানে মাত্র ৫০০ সেনা রাখা হবে। জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, করোনার সময়েও আইএস জঙ্গি কার্যকলাপ চালিয়ে গেছে। তাই আইএসের ওপর সামরিক চাপ সৃষ্টি করতে হবে।
সে জন্য ৫০০ সেনা রাখতে চায় জার্মানি। আইএসের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক জোটের অঙ্গ হিসাবে ইরাকে সেনা পাঠায় জার্মানি। তারা ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। তাদের হাতে কিছু প্রয়োজনীয় যুদ্ধাস্ত্রও দিয়েছে।
সূত্র: ডি ডব্লিউ
















