উর্ধ্বমুখী সবজির বাজার, আলুর কেজিও ৫০ টাকা

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: মাছ-গোশত আর সবজির দাম চড়ার পর মানুষের মুখে মুখে ছিল, ‘সমস্যা নেই, আলুভর্তা আর ডাল তো আছে।’ এখন আর তাও নেই। ভর্তা করার সেই আলুর কেজি এখন ৫০ টাকা। পেঁয়াজের দাম তো সেই যে শতক ছাড়িয়েছে তা আর দুই অঙ্কে নামার কোনো সম্ভাবনা নেই আপাতত। মরিচের কেজি মাঝে কিছুটা কমলেও এখন আবার ৩০০ টাকার ওপরে। সব মিলিয়ে ডাল আলুভর্তা খাওয়ার কোনোই সুযোগ নেই আপাতত এই সময়ে। এমনটাই বলছিলেন বাজারের সাধারণ ক্রেতারা।

গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন বাজার থেকে জানা গেছে গোল আলুও এখন নাগালের বাইরে। ১৮-২০ টাকার আলু এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। গতকাল শুক্রবার সকালে রাজধানীর গোপীবাগ বাজারে দেখা যায় প্রকারভেদে তিন দামে আলু বিক্রি হচ্ছে। বগুড়ার লাল রঙের গোলাকৃতির আলু বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি। রাজশাহী বা ওই অঞ্চলের লাল লম্বা আকৃতির আলুর কেজি ৪৫ টাকা এবং মুন্সীগঞ্জসহ আশপাশের আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়।

বাজারে সবজির দাম চড়াই আছে। মাঝে কেজিপ্রতি ৫-১০ টাকা কমলেও এই সপ্তাহে তা আবারো বেড়েছে। বাজারে শীতের সবজিই নয়, সব ধরনের সবজির দামই বেশি। প্রতি কেজি ৫০ টাকায় শুধু পেঁপে এবং কচুরছরাই মিলছে। এর বাইরে ৮০ টাকার নিচে ভালো কোনো সবজি পাওয়া যায় না। শিমের কেজি ১২০ থেকে ১৬০ টাকা। ছোট আকারের ফুলকপি, বাঁধাকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা। এক হালি কাঁচাকলা বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। পাকা টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৪০ টাকা। গাজর বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকা কেজি। করলা কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০-১২০ টাকায়। বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি। পটোল, ঝিঙা, কাঁকরোল, চিচিঙ্গা, বেগুন ৬০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ দিকে বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪৫ টাকা। দু’দিনে প্রতি পিস ডিমে বেড়েছে ৪০ পয়সা। সেই হিসাবে ডজনে বেড়েছে প্রায় ৫ টাকা। আগে যে ডিমের ডজন ছিল ১১০ টাকা, এখন তা বিক্রি হচ্ছে ১১৫ টাকা। চালের দাম সেই বাড়তিই আছে। বস্তায় ২০০-৩০০ টাকা যে বেড়েছে তা আর কমার কোনো লক্ষণ আপাতত নেই বলে জানালেন একাধিক বিক্রেতা।

পূর্ববর্তি সংবাদএবার ভিডিওবার্তায় নির্যাতনের কথা জানালেন নোয়াখালীর আরেক গৃহবধূ
পরবর্তি সংবাদবরগুনায় শিশু শ্যালককে পানিতে ডুবিয়ে হত্যা, আটক দুলাভাই