ইসলাম টাইমস ডেস্ক: কেবলমাত্র বিয়ের জন্য ধর্ম পরিবর্তন গ্রহণযোগ্য নয়। একটি মামলার প্রেক্ষিতে আবেদনকারীকে শনিবার এ কথা জানাল ভারতের ইলাহাবাদ হাইকোর্ট। বিয়ের তিন মাস পর পুলিশি নিরাপত্তা চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক দম্পতি। আদালত সেই আবেদনও খারিজ করে দিয়েছে।
জন্মসূত্রে এক মুসলিম মহিলা বিয়ের জন্য হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেন। আবেদনে ওই দম্পতি জানিয়েছেন যে তাঁরা চলতি বছরের জুলাই মাসেই বিয়ে করেন। এও অভিযোগ করেন, বিয়ের পরেও পাত্রীর বাবা তাঁদের জীবনে হস্তক্ষেপ করছেন। তার প্রেক্ষিতেই বিচারপতি মহেশ চন্দ্র ত্রিপাঠী এ দিন বলেন, ‘‘ওই মহিলা ২০২০ সালের ২৯ জুন নিজের ধর্ম পরিবর্তন করেন এবং ৩১ জুলাই বিয়ে করেন। এর থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় বিয়ের উদ্দেশ্যেই এই ধর্ম পরিবর্তন’’।
বিচারপতি এও জানিয়েছেন, আদালত এই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করতে রাজি নয়। এর আগে ২০১৪ সালে নূর জাহান বেগমের একটি আবেদনের ভিত্তিতেও একই রায় দিয়েছিল ইলাহাবাদ হাইকোর্ট। এ দিন ওই রায়ের কথাও উল্লেখ করেছে আদালত।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এধরনের রায়ের অপব্যবহারের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। যে কোনো ধর্ম পরিবর্তনকারী ব্যক্তিকে বিয়ের উদ্দেশ্যে ধর্ম পরিবর্তন করেছে বলে চালিয়ে দেয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে এখান থেকে। আবার একথাও সত্য যে, ভারতে শুধু বিয়ের উদ্দেশ্য হিন্দু ও ইসলাম ধর্ম গ্রহণের প্রবণতা রয়েছে। হিন্দু পুরুষদের মধ্যে একাধিক বিয়ে করার জন্য ইসলাম গ্রহণ করা আর হতভাগ্য মুসলিমদের হিন্দুদের প্রেমে পড়ে মুরতাদ হওয়ার প্রচলন রয়েছে। ফলে এ বিষয়টি নিয়ে ভারতের সমাজচিন্তকদের ব্যাপক ভাবানার অবকাশ রয়েছে।
সূত্র: আনন্দবাজার
















