আরবের স্বৈরশাসকদের কয়েদখানাগুলো উম্মাহর বাছা বাছা সম্পদে ভরে উঠছে

আলী হাসান তৈয়ব ।।

আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন মহানবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অবমাননা এবং ফরাসি পণ্য বয়কট নিয়ে এক দুর্দান্ত তেজস্বী বক্তব্য দিচ্ছেন আরবের এক শায়খ। গত এক সপ্তাহ মুসলিম বিশ্বের অসংখ্য মানুষের ঈমানি চেতনা জাগিয়ে দিয়েছে ওই বক্তব্য। কিন্তু যারা আবদুল্লাহ না হয়ে আবদুদ দুনিয়া হিসেবে বেঁচে আছে, তাদের মুনাফিক হৃদয়ে ওই বক্তব্য জাহান্নামের আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।

আরবের মিডিয়াগুলো জানাচ্ছে, আজ ফজরের আগে বয়োজ্যেষ্ঠ চেতনাবান এই শায়খকে গ্রেফতার করেছে মিসর পুলিশ। উইকিতে মুস্তফা আদওয়ি নামের এই শায়খের প্রোফাইল পড়ে কষ্ট আরও বেড়ে গেল। একজন প্রকৌশলী ও ফকিহ এবং বহুগ্রন্থকার উম্মাহদরদি এই দাঈকেও উম্মাহ হারালো বুঝি। আরবের স্বৈরশাসকদের কয়েদখানাগুলো বেছে বেছে উম্মাহর সম্পদগুলোতে ভরে উঠছে।

শুধু সৌদির এমবিএসই আরবের বড় ভিলেন নন, তারচেয়েও বড় ঈমান ও উম্মাহর সওদাগর মিসরের গাদ্দার প্রেসিডেন্ট সিসি এবং আমিরাতের হিন্দু-ইহুদবান্ধব বিন জায়েদগং। চলমান ইস্যুতে এ দুই দেশের বক্তব্য দেখলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে।

সময় যত গড়াচ্ছে ঈমান ও কুফরের পার্থক্যরেখা‌ পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। এই সময়ে নিজে ও পরিবারের সদস্যদের ঈমান কবর পর্যন্ত বয়ে নেওয়াই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

ঘটনাবহুল জীবনের পড়ন্তবেলায় নবী ইউসুফ (আ.) এর দোয়াটি মনে পড়ছে। এটিই আমাদের মুনাজাত হওয়া উচিত :

أَنْتَ وَلِيِّ فِي الدُّنْيَا وَالآَخِرَةِ تَوَفَّنِي مُسْلِمًا وَأَلْحِقْنِي بِالصَّالِحِينَ

আংতা ওয়ালিয়্যি ফিদদুনইয়া ওয়াল আখিরাতি তাওয়াফফানি মুসলিমাওঁ ওয়া আলহিক্বনি বিস-সালিহিন। (সুরা ইউসুফ : আয়াত ১০১)

অর্থ : (হে আল্লাহ!) তুমিই ইহকাল ও পরকালে আমার অভিভাবক; তুমিই আমাকে মুসলিম হিসেবে মৃত্যু দান কর এবং সৎ লোকদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ দান কর।

লেখকের ফেসবুক থেকে  ঈষৎ পরিবর্তিত

পূর্ববর্তি সংবাদআধুনিক প্রযুক্তি ব‍্যবহার করায় পুলিশের সক্ষমতা বেড়েছে
পরবর্তি সংবাদনির্বাচনের দৌড়ে এগিয়ে আছেন বাইডেন, টিকে যেতে পারেন ট্রাম্পও