লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, ৭৪ শরণার্থীর মৃত্যু

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: লিবিয়া উপকূলে একটি নৌকা ডুবে অন্তত ৭৪ জন শরণার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

জাতিসঙ্ঘের উদ্বাস্তু বিষয়ক সংস্থা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ওই নৌকাটিতে ১২০ জনের বেশি যাত্রীকে বহন করা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) লিবিয়ার খোমস উপকূলীয় এলাকায় ১২০ জন অভিবাসী নিয়ে একটি নৌকা ভূমধ্যসাগরে ডুবে যায়। সেখানে উদ্ধার অভিযান চালায় লিবিয়ার কোস্টগার্ড। ৪৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও মারা যান অন্তত ৭৪ জন।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা জানায়, গেল ১ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৮টি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। নিহতদের অধিকাংশই আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিক বলে জানা গেছে।

লিবিয়ার আইওএম-এর প্রধান ফেডেরিকো সোডা জানান, ‘বিপদজ্জনক ভূমধ্যসাগর হয়ে অবৈধ উপায়ে ইউরোপে যাওয়া ঠেকাতে উন্নত দেশগুলো ব্যর্থ। ফলে প্রতিনিয়ত জানমালের ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। সমুদ্র পথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ইউরোপে প্রবেশ বন্ধ না করা গেলে সামনে আরো প্রাণ ঝরবে।’

এদিকে, বেসরকারি উদ্ধারকারী সংস্থা ওপেন আর্মস জানায়, গত মঙ্গল এবং বুধবার পৃথক অভিযান চালিয়ে আড়াই শতাধিক অভিবাসন প্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তথ্য মতে, চলতি বছরে অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টাকালে ভূমধ্যসাগরে ডুবে প্রায় ৯’শ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তবে বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করে ১১ হাজার অভিবাসন প্রত্যাশীকে লিবিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়েছে।

অভিবাসন প্রত্যাশীদের অন্যতম লক্ষ্য থাকে ইতালি। প্রতিবছর বহু মানুষ এ দেশটিতে অবৈধ উপায়ে প্রবেশ করে থাকে।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (আইওএম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, খোমস উপকূলে নৌকা ডুবে গেছে। এতে ৭৪ জন শরণার্থীর প্রাণ গেছে।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনা কবলিত নৌকায় একশ ২০ জনের বেশি যাত্রী ছিল। তাদের মধ্যে নারী ও শিশু ছিল। এরই মধ্যে ৪৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

আইওএম এর তথ্যানুসারে, এ বছর ইউরোপে যাওয়ার সময় অন্তত নয়শ মানুষ ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবে মারা গেছে। উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে লিবিয়ায় ফিরে গেছে ১১ হাজারের বেশি মানুষ।

পূর্ববর্তি সংবাদআর্মেনিয়াকে সতর্ক করল তুরস্ক: চুক্তিভঙ্গ করলে ভুগতে হবে
পরবর্তি সংবাদবিবাড়িয়ায় প্রধান শিক্ষক পংকজ কুমারের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ