“যারা ধর্ষণে সেঞ্চুরী করে, তারা কোন মুখে মাদরাসার বিচ্ছিন্ন ঘটনায় অভিযোগ তোলে”

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: বিভিন্ন মাদরাসায় বিচ্ছিন্ন কিছু শিশু নির্যাতনের বিষয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম বলেন, ‘আমরা কোনো অপরাধের পক্ষে নই। অপরাধ যেখানেই হোক আমরা তার বিরুদ্ধে। কিন্তু ছাত্র নির্যাতনের (বলৎকার) ক্ষেত্রে শুধু মাদরাসার নাম কেন আসছে! এ নির্যাতন তো গির্জা, চার্চ, মন্দিরসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায়ও হচ্ছে। আমরা এ সবগুলোরই প্রতিবাদ জানাই।’

আজ (৮ ডিসেম্বর) মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনের আহ্বান করেছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলদেশ-এর আমির, চরমোনাই পীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। বেলা ১২টা থেকে রাজধানীর পুরানা পল্টনস্থ সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে (৫৫/বি, পুরানা পল্টন, নোয়াখালী টাওয়ার, ৩য়তলা) এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।  এ সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম বলেন, ‘সমকামিতার পক্ষপাতিত্বের অপবাদ আমাদের ওপর কেন আসছে! আমরা তো একে সম্পূর্ণ হারাম ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ মনে করি। এ ব্যাপারে আঙুল তো তাদের দিকে তোলা দরকার যারা দেশে সমকামিতার আইন পাশ করাতে উঠেপড়ে লেগেছে। তাই এ ইস্যুতে আমাদের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোন সুযোগ নেই।’

তিনি বলেন, ‘কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ নামে তার এক চলচ্চিত্রের মাধ্যমে এ সমকামিতাকে ব্যাপকভাবে হাইলাইট করেছে। পুরো পৃথিবী ব্যাপী একে ছড়িয়ে দেয়ার একটি পায়তারা করেছে। আপনারা তাদের বিরুদ্ধে কথা বলুন। যারা ধর্ষণে সেঞ্চুরি করে, যাদের ট্রাংকের ভেতর নবজাতকের লাশ পাওয়া যায়, তারা কিভাবে মাদরাসার বিচ্ছিন্ন ঘটনায় অভিযোগ করে? চালনি যদি সুইকে বলে  তোর পেছনে অনেক ছিদ্র তাহলে কি হয়? ’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির বলেন, ‘আমি মনে করি, দেশের আইন ব্যবস্থা যেহেতু প্রায় অচল হয়ে গেছে। দেশের শাসনব্যবস্থা যেহেতু নষ্ট হয়ে গেছে। তাই সেই খারাপ অবস্থার কিছু বাজে প্রভাব সমাজের সব জায়গায় পড়ছে। সে ধারাবাহিকতায়ই বিভিন্ন মাদরাসায় বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটছে। আমরা এর বিচার চাই এবং তীব্র নিন্দা জানাই।

-এনটি