ইসলাম টাইমস ডেস্ক: হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব ও খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন আমলে নেননি আদালত। বাদীর জবানবন্দি শেষে বিচারক মামলাটি গ্রহণ না করে ফেরত দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে ভাস্কর্যবিরোধী বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ এনে মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসাম জগলুল হোসেনের আদালতে মামলাটি করেন বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল মালেক।
মামলা গ্রহণ না করার তথ্য জানিয়ে বাদী গণমাথ্যমকে বলেন, মামলা নেয়ার জন্য আমরা আদালতে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু আদালত জানান, এটি একটি রাষ্ট্রীয় ইস্যু, তাই এটি ব্যবস্থা রাষ্ট্রপক্ষ থেকে করবে। বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতে যাবেন বলেও জানান বাদী।
এদিন বাদী অ্যাডভোকেট আবদুল মালেক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২১, ২৫, ২৮ ও ৩১ ধারায় মামলাটির আবেদন করেন।
এদিকে ভাস্কর্য বিরোধী বক্তব্য দেওয়ার কারণে হেফাজতে ইসলামের আমির মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী, যুগ্মমহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক এবং ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির মুফতী ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে করা মানহানি মামলা খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।
একই মামলায় ভাস্কর্যবিরোধী বক্তব্যে সহযোগিতা করার অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও অভিযুক্ত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) মামলা গ্রহণ করার মতো কোনো উপাদান না থাকায় ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার এ আবেদন খারিজ করে দেন।
এর আগে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতা করে বক্তব্য দেওয়ায় ‘রাষ্ট্রদ্রোহের’ অভিযোগে মাওলানা বাবুনগরী, মাওলানা মামুনুল হক ও মুফতী ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়। মামলা দুটি আগামী ৭ জানুয়ারির মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
-এনটি
















