ইসলাম টাইমস ডেস্ক: সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য নতুন এক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করেছে উত্তর কোরিয়া। এটি একটি ব্যাপক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র।
রাষ্ট্রীয় মিডিয়া একে বর্ণনা করেছে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে। নেতা কিম জং-উন পরিদর্শন করেছেন এমন এক সামরিক প্যারেডে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।
কেসিএনএ’র বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে পিয়ংইয়ংয়ে একটি প্যারেডে ট্যাঙ্ক, রকেট লঞ্চারসহ বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধ অস্ত্র প্রদর্শন করা হয়।
কিম জং উন নিজেই ওই প্যারেডের তত্ত্বাবধায়ন করেছেন। পিয়ংইয়াংয়ের ইল সাং স্কোয়ারের ওই প্যারেড গ্রাউন্ডে তাকে চামড়ার কোট ও পশমের টুপি পরা অবস্থায় দেখা যায়। কেসিএনএ-এ প্রকাশিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ওই প্যারেডে কমপক্ষে চারটি সাদা-কালো ক্ষেপণাস্ত্র ছিল।
বিশ্লেষকরা জানান, এ ধরনের কোনো অস্ত্র আগে দেখা যায়নি। সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য নতুন ধরনের এই ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (এসএলবিএম) উত্তর কোরিয়ায় ‘পুকগুকসং’ নামে ডাকা হয়।
উত্তর কোরিয়ার বিশেষজ্ঞ অঙ্কিত পান্ডা এক টুইটে বলেন, ‘নতুন বছর, নতুন পুকগুকসং’। কোরিয়ান নিউজ এজেন্সি জানায়, ‘একের পর এক বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র ক্ষেপণাস্ত্র স্কোয়ারে ঢোকে, যা বিপ্লবী সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি প্রদর্শন করে।’
এর আগে বিরল এক রাজনৈতিক বৈঠক হয়। সেখানে কিম জং-উন যুক্তরাষ্ট্রকে তার দেশের নীতিগত সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে আখ্যায়িত করেন। এখানে লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত জো বাইডেন যখন আর কয়েক দিনের মধ্যে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন, তার আগে কিম জং উন তার সামরিক শক্তি প্রদর্শন করলেন।
উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় মিডিয়ায় যেসব ছবি প্রকাশিত হয়েছে তাতে কমপক্ষে চারটি কালো ও সাদা বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র দেখা যাচ্ছিল। বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত হয়ে জাতীয় পতাকা নাড়াচ্ছিলেন। আর তাদেরকে অতিক্রম করে যাচ্ছিল এসব ক্ষেপণাস্ত্র। বিশ্লেষকরা বলেছেন, এসব অস্ত্র তাদের কাছে আগে থেকেই ছিল। তবে তা কাউকে দেখানো হয়নি।
-এসএন
















