ইসলাম টাইমস ডেস্ক: দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা গত প্রায় নয় মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম। গত বছরের ৫ মে এর চেয়ে কম মৃত্যুর খবর দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর; সেদিন ১ জনের মৃত্যুর খবর এসেছিল। পরে ৮ মে সাতজনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছিল।
এ ছাড়া নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৪৫৪ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৮ হাজার ৯৪ জনের। সবমিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৩৪ হাজার ৪০৭ জনে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ২০৪টি ল্যাবরেটরিতে ১২হাজার ২৭৯টি নমুনা সংগ্রহ ও ১২হাজার ৭৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৩৬ লাখ ২৭ হাজার ৪১৩টি।
এদিকে, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গবিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪১৪ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৭৮ হাজার ৯৬০ জন।
শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা তুলনায় শনাক্তের হার ৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৯ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫১ শতাংশ।
মোট মৃত ৮ হাজার ৯৪ জনের মধ্যে পুরুষ ৬ হাজার ১৩৩ (৭৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ) ও নারী ১ হাজার ৯৬১ জন (২৪ দশমিক শূন্য ২৩ শতাংশ)।
মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৪ ঘণ্টায় মৃত সাতজনের মধ্যে চল্লিশোর্ধ্ব একজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব একজন এবং ষাটোর্ধ্ব পাচজন রয়েছেন।
বিভাগওয়ারী হিসেবে মৃত সাতজনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে তিনজন, চট্টগ্রামে দুইজন, রাজশাহী ও খুলনায় একজন করে মারা যান।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) দেশে আরো ৫০৯ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে মারা যান আরও ১৫ জন।
দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত ৮ মার্চ। এর ১০ দিনের মাথায় ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর খবর আসে। সে হিসাবে কোভিড-১৯ শনাক্তের ৩১১তম দিন পার করছে বাংলাদেশ।
গত বছরের ডিসেম্বরে চীনে করোনাভাইরাসের উপদ্রব শুরু হয়। এটি বর্তমানে বিশ্বের ২১৩ দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। ১১ মার্চ কোভিড ১৯-কে বৈশ্বিক মহামারী ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
-এনটি
















