দখলদার ইসরাইলের জেলে ফিলিস্তিনি এক বন্দি শিশুর নির্যাতনের কাহিনী

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: ফিলিস্তিনি শিশু মাহাদ দারি (১৩) ডেইলি আল-মায়াদীন ও alamtv.net কে ইহুদিবাদী ইসরাইলের আল-ইসাওয়াইয়া কারাগারে নিজের বন্দী হওয়ার সময়কার নির্যাতনের কথা জানিয়েছেন৷

তার বক্তব্য, “দখলদার সেনারা আমাকে এবং আমার ভাইকে বৈদ্যুতিক শক দিয়েছিল।”

“তদন্তের সময় আমাকে এবং আমার ভাইকে অনেক মারধর করে৷ এবং আমার বাবার উপরও তারা হামলে পড়ে৷”

ফিলিস্তিনি শিশুটি তার বাড়ি থেকে তাঁর ও তার ভাইয়ের গ্রেপ্তারের ঘটনা বর্ণনা করে বলে, দখলদাররা রাতে আমাদের বাড়িতে এসে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দরজা উড়িয়ে দেয়, তারপর তারা আমাদের শোবার ঘরে গিয়ে আমাদের ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলে, এবং আমাদেরকে বিদ্যুতের শক দেয়।

আমার বাবা তাদের কাছে আমাদেরকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করলে তারা তাকেও বেদম প্রহার করে  এবং আমাদের পায়ে কারেন্টের শক দেয়৷ তারা আমার মা এবং আমার বোনদের সামনে বাবাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করে এবং অপমান করে৷ তারা আমাদের পরিবারের সবাইকে মারধর করে। এরপর আমাদেরকে গাড়িতে করে কারাগারে নিয়ে যায়৷

এরপর পশ্চিম জেরুসালেমের আল-মাসকোবিয়ায় তদন্তকেন্দ্রের কর্মকর্তারা আমাকে এবং আমার ভাইকে হাতদুটো পেছনে বাধে  এবং আমাদেরকে হাঁটুর উপর বসতে বাধ্য করে আমাদের কে লাথি মেরে মাটিতে ফেলে দেয়৷ তারা আমাদেরকে মানুষ হিসাবে দেখেনি।

তাদের পিতা জানান, দখলকারী বাহিনী আমাকে আমার বাচ্চাদেরকে কঠিন শাস্তি দেয়ার হুমকি দিয়েছিল আমার সন্তানদেরকে ধরে নেওয়ার সময় তারা আমাদের চোখের সামনে অসহনীয় নির্যাতন চালিয়েছিলো, এবং আমার শিশুকে বৈদ্যুতিক শকও দিয়েছিলো, এরপর হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যায়৷

তিনি আরো বলেন, আমার সন্তানদেরকে তারা জিজ্ঞাসাবাদের সময় শারিরীক নির্যাতনের পাশাপাশি মানসিক নির্যাতন ও করেছিল।

দখলদার বাহিনী শিশু মাহদ দারি ও তার ভাই মুহাম্মদকে গ্রেপ্তার করেছিল তাদের পরিবারে নির্মমভাবে হামলা চালানোর পর৷ এরপর পশ্চিম জেরুসালেমের ইসপায়েলি থানায় ১২ ঘন্টা ধরে তাদের নির্মম শাস্তি দিয়েছিলো।

সূত্র: alamtv.net এবং আল মায়াদিন

অনুবাদ: ইয়াহইয়া বিন আবু বকর নদভী