ইসলাম টাইমস ডেস্ক: নাসায় অষ্টাদশ শতকের পুরাতন কয়েন ও সীমান্ত পিলার বিক্রির নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া একটি প্রতারক চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই।
আরেক অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে মানব পাচারকারী চক্রের তিন প্রতারককে। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে পিবিআই সদর দপ্তরে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির প্রধান বনজ কুমার মজুমদার।
বিট্রিশ আমলে ধাতব কয়েনে ইউরেনিয়াম থাকায় এসব কয়েন লাখ লাখ ডলার কিনে নেয় মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসা।
এমন কাল্পনিক গল্প শুনিয়ে এসব কয়েন কেনার জন্য ধর্ণাঢ্য ব্যক্তিদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলতো এই চক্রটি। নকল কয়েন বানিয়ে প্রতারকরাই যোগাযোগ করতে অনেকের সাথে।
পিবিআইের ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার বলেন, প্রধান প্রতারক মনিরুজ্জামান কামরুল নিজেকে পরিচয় দিয়ে থাকেন ওনার নাসা’র সাথে যোগাযোগ আছে, সিআই এর সাথে যোগাযোগ আছে, ইউএস অ্যামবেসির সাথে যোগাযোগ আছে। আসলে উনি করেন শাড়ির ব্যবসা।
প্রতারকরা বাস্তবে শাড়ির ব্যবসা, পেয়ারা চাষ ও বাড়ির কেয়ারটেকারের কাজ করলেও এরাই কয়েন বিক্রেতা ও নাসার কর্মকর্তা সেজে ধাপে ধাপে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিতো টার্গেটের কাছ থেকে।
সম্প্রতি এই চক্রের ফাদেঁ পড়ে দেড় কোটি টাকা খুইয়েছেন আনন্দ গ্রুপের চেয়ারম্যান ডা. বারী। পরে ঝিনাইদহ থানায় তার করা মামলার তদন্তভার পিবিআইতে এলে গ্রেফতার করা হয় ৫ জনকে।
বনজ কুমার মজুমদার আরো বলেন, যারা প্রতারণার শিকার হন তারা নরমালি পুলিশের কাছে আসেন না। কারও কাছেই জান না। যতক্ষণ পর্যন্ত সর্বশান্ত না হন ততক্ষণ পর্যন্ত পুলিশকে এড়িয়ে চলেন।
গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে নকল কয়েন, নগদ টাকাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করেছে পুলিশ।
এদিকে আরেক অভিযানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মানবপাচারকারী চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই। ভুয়া ওয়ার্ক পারমিট ও ভিসা দিয়ে বিদেশ পাঠানোর নামে মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিতো চক্রটি।
-এসএন
















