ইসলাম টাইমস ডেস্ক : গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টু অভিযোগ করেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগের রাতে প্রতিটা কেন্দ্রে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ ব্যালটে সিল মারার নির্দেশ থাকলেও অধিকাংশ কেন্দ্রে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ব্যালটে সিল মেরে বাক্সে ঢুকিয়ে পূর্বের রাতেই নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রক্রিয়াকে অকার্যকর করে ফেলেছে।
শনিবার রাজধানীর শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে গণফোরামের বর্ধিত সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবি করেন।
নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে মন্টু বলেন, নির্বাচনের আগের রাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও মহাজোটের কর্মীবাহিনী একজোট হয়ে বিভিন্ন কেন্দ্রের আশেপাশে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে বাড়িতে হানা দেয়। রাতভর তাদের তাড়া করে বেড়ায়। আর এ সুযোগে প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসাররা রিটার্নিং অফিসারের পূর্বনির্দেশ অনুযায়ী নৌকা মার্কায় সিল মেরে বাক্সে ঢুকিয়ে রাখে। প্রতিটা কেন্দ্রে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ ব্যালটে সিল মারার নির্দেশ থাকলেও অধিকাংশ কেন্দ্রে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ব্যালটে সিল মেরে বাক্সে ঢুকিয়ে পূর্বের রাতেই নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রক্রিয়াকে অকার্যকর করে ফেলেছে।
মোস্তফা মোহসীন মন্টু বলেন, শহরের ভোটকেন্দ্রগুলোতে ধানের শীষের প্রতীকের এজেন্ট যে ছিল না সে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার আগেই সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন। এই নির্বাচনে ৮০ পার্সেন্ট ভোট কাস্ট হওয়াকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইতিবাচকভাবে ব্যাখ্যা করলেও যেসব কেন্দ্রে ১০০ ভাগের ওপরে ভোট কাস্ট হয়েছে এবং যেসব আসনে নৌকার প্রার্থী আড়াই লক্ষাধিক ভোটের বিপরীতে ধানের শীষ ১৩৭টি ভোট পেয়েছে সে বিষয়ে তিনি কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
তিনি বলেন, জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল বলেই ১৯৭১ সালে আমরা প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক হয়েছি, ১৯৯০ সালে স্বৈরশাসনের পতন ঘটিয়েছি। জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে অচিরেই বাংলাদেশে নিরপেক্ষ নির্বাচন কার্যকর গণতন্ত্র ও আইনের শাসন নিশ্চিত হবে।
















