ইন্দোনেশিয়ায় চলছে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ইসলামি বইমেলা

আবরার আবদুল্লাহ ।।

ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় শুরু হয়েছে ১৮তম আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলা। গতকাল ২৭ নভেম্বর শুরু হওয়া মেলাটি চলবে আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত। ইন্দোনেশিয়ার জনশক্তি ও জনপ্রশান মন্ত্রী সাইফুদ্দিন মেলার উদ্বোধন করেন। এবারের মেলার স্লোগান ঠিক করা হয়েছে ‘জাতিকে আলোকিত করতে ইসলামি সাহিত্য’।

মেলা উদ্বোধন শেষে মন্ত্রী বলেন, আমরা আশা করছি, এই মেলার মাধ্যমে মানুষের ভেতর পাঠ-সংস্কৃতি ফিরে আসবে এবং জাতি আলোকিত হবে।

Related image

এই সময় তিনি প্রশাসনের গুরুত্বপূ্র্ণ দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মেলায় অংশগ্রহণ ও পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার আহবান জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘ইসলামের নবী মুহাম্মদ সা.-এর উপর প্রথম ওহি ছিলো ‘ইকরা’। অর্থ পড়। এই একটি নির্দেশ ইসলামি সমাজ ও মুসলিম বিশ্বকে যুগে যুগে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে। যতোদিন মুসলিম সমাজে জ্ঞানের চর্চা ছিলো ততোদিন তারা এগিয়ে গিয়েছে। এখনও মুসলমান জ্ঞানের চর্চা শুরু করলে তারা এগিয়ে যেতে পারবে। আর তা হতে হবে মুসলিম সমাজের সব স্তরে। সাধারণ মুসলিম ও নেতৃত্ব দানকারী মুসলিম সবাইকে জ্ঞানে সমৃদ্ধ হতে হবে।

এবারের মেলায় ২১৩টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। তারা মেলায় ৪২৫০টি বিষয়ের উপর ৩৬ লাখ ৮৯ হাজার বই প্রদর্শনী করবে। মেলায় মিসর, সৌদি আরব, ব্রুনাইসহ কয়েকটি দেশের আন্তর্জাতিক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে।

Image result for islamic book fair in indonesia

ইন্দোনেশিয়ার এই বইমেলায় শিশুদের জন্য রয়েছে পৃথক কর্নার ও শিশুতোষ অনেক আয়োজন।

মেলার আয়োজক কমিটির প্রধান মাহমুদ আনিস বলেন, ইন্দোনেশিয়া ইসলামি বইমেলা দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ইসলামি বইমেলা। এই মেলা অত্র অঞ্চলে ইসলামি জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই বইমেলায় ১৯ লাখ দর্শক অংশগ্রহণ করেন। এই বছর আশা করি, তার চেয়ে বেশি হবে।

স্কুল শিক্ষার্থী আফিফা জাকিয়া বলেন, ইসলামি সাহিত্য ও বুদ্ধিবৃত্তিক কাজগুলো দেখে তার ভালো লাগে। সে প্রতিবছর ইসলামি বইমেলায় অংশগ্রহণ করে। স্কুল কর্তৃপক্ষ তাদেরকে ইসলামি বইমেলায় নিয়ে আসে।

তথ্যসূত্র : ডেইলি সাবাহ ও মিনানিউজ ডটনেট

পূর্ববর্তি সংবাদকোনো সহিংসতা হয়নি, কোনো কেন্দ্র স্থগিত হয়নি, শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে: ইসি সচিব
পরবর্তি সংবাদঅনুমোদিত নয় এমন কাজ স্বপ্ন-ইস্তেখারার মাধ্যমে বৈধতা পায় না : মুফতি নুরুল আমিন