নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রশ্নফাঁস রোধে গৃহীত নতুন পদ্ধতিতে পরীক্ষা গ্রহণ- পরীক্ষার্থী, মাদরাসা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও বোর্ড কর্তৃপক্ষ- সবার মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। হোয়াটস্যাপের মাধ্যমে পরীক্ষার কিছুসময় আগে কেন্দ্রে প্রশ্ন পৌঁছানোর এ প্রক্রিয়ার প্রশংসা সামাজিক মাধ্যমেও দেখা যাচ্ছে।
দ্বিতীয়বারের মতো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা বাতিল করে জরুরী বৈঠকের মাধ্যমে নতুন পদ্ধতিতে প্রশ্ন তৈরি ও তা কেন্দ্রে পৌঁছানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সে অনুযায়ী শনিবার ( ২৭ এপ্রিল) ও রবিবার (২৮ এপ্রিল) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এ বিষয়ে হাইয়াতুল উলয়ার সদস্য ও পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সাথে যুক্ত মাওলানা মুসলেহুদ্দীন রাজুর সাথে কথা বললে তিনি ইসলাম টাইমসকে বলেন, ‘ আল্লাহর শোকর যে, আমাদের এমন সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণের তাওফিক দিয়েছেন। উলামায়ে কেরাম ও মুরব্বিগণ স্বস্তিতে রয়েছেন যে প্রশ্রফাঁস আপাতত রোধ করা সম্ভব হয়েছে। কর্তৃপক্ষ অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তবে আমাদেরকে আরো সতর্ক থাকতে হবে’।
আগামীতেও এ পদ্ধতির অনুসরণ করা হবে কি না জানতে চাইলে হাইয়াতুল উলয়ার এ সদস্য বলেন, ‘ এটা সাময়িকভাবে গৃহীত পদ্ধতি। প্রশ্নফাঁস রোধে সামনে আরো উন্নত, আরো সুসংহত পদ্ধতি অবলম্বন করা হবে। প্রযুক্তি বিষয়ক অভিজ্ঞদের সাথে পরামর্শ করে আরো মানসম্মত পদ্ধতি অবলম্বন করা হবে। মুরব্বিদের আমানত ও কওমি মাদরাসার ঐতিহ্য রক্ষা করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে’।
হাইয়াতুল উলয়ার এক পরীক্ষার্থী ইসলাম টাইমসকে বলেন, ‘ প্রশ্ন পেতে কখনো কখনো একটু দেরি হলেও এ পদ্ধতি গ্রহণ কল্যাণকর হয়েছে। ফাঁস হওয়া প্রশ্নে পরীক্ষা দিলে আমাদের পাশের কোনো মূল্যায়ন থাকত না।’
এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গকে হাইয়াতুল উলয়া কর্তৃপক্ষের গৃহিত এ সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে তাদের সন্তুষ্টি প্রকাশ করতে দেখা গেছে।
















