‘আসিয়া বিবির মুক্তির রায় যথাযথ মনে হয়নি’—মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ

আসিয়া নরিন নামের এক খ্রিষ্টান নারীর ফাঁসি চেয়ে উত্তাল পাকিস্তান। ব্লাসফেমি আইনে নিম্ন আদালতে ফাঁসির আদেশ হলেও সুপ্রিম কোর্ট সম্প্রতি ওই নারীকে নির্দোষ দাবি করে বেকসুর খালাস দেয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে পথে নেমে এসেছেন পাকিস্তানের ধর্মপ্রাণ মানুষ। চলছে গুলি ও হরতাল। ব্লাসফেমি আইন এবং পাকিস্তানের  বিবদমান এ বিষয় নিয়ে আনুপুঙ্খিক কথা বলেছেন মারকাযুদ দাওয়াহ আলইসলামিয়া ঢাকা’র পরিচালক এবং মাসিক আলকাউসার-এর সম্পাদক মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ। ইসলাম টাইমসের পক্ষ থেকে  তার সঙ্গে কথা বলেছেন আতাউর রহমান খসরু।


 

ইসলাম টাইমস : আসিয়া বিবিকে খালাস দিয়ে পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের রায়, ইসরাইলি বিমান অবতরণ ও ইমরান খানের ক্ষমতা গ্রহণের পেছনে সামরিক বাহিনীর আশীর্বাদ। সবকিছু মিলিয়ে ইমরানের নেতৃত্বে পাকিস্তান যাচ্ছে কোথায়?

আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : ইমরান খানের নেতৃত্বে পাকিস্তান কোথায় যাচ্ছে সেটা বলার সময় এখনও আসেনি। এখনই এমন মন্তব্য করা কঠিন। পাকিস্তানের ভাষায় স্টাবলিশম্যান্ট, জনপ্রশাসন ও বিচার বিভাগ এদের ক্ষমতার দাপট কিছুদিন যাবত লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পাকিস্তান আর্মির ক্ষমতা পাকিস্তানের জন্মলগ্ন থেকেই। ইমরানের ক্ষমতায় আসার পেছনে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মদদের বিষয়টি এক প্রকার স্বীকৃত বিষয়।

বর্তমান রায়ের সঙ্গে আমি অন্য বিষয়গুলোকে মিলিয়ে দেখতে চাই না। কেননা রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। যদিও ইমরান খান হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রায়ের প্রতিবাদকারীদের দমনের ব্যাপারে।

আমাদের হাতে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ না থাকলেও পাকিস্তানে ইসরাইলি বিমান অবতরণ বিষয়ে সন্দেহ করার যথেষ্ট সুযোগ আছে। কারণ, যারা নিরপেক্ষ রিপোর্ট করেছে তারা বলছে ঘটনা ঘটেছে এবং বিমানটি তেলাবিব থেকে আম্মান হয়ে পাকিস্তান এসেছে। আম্মান হয়ে আসায় বিমানের রুট নম্বর, ফ্লাইট নম্বর পরিবর্তন হয়ে গেছে। আর এ কারণে পাকিস্তান গা-বাঁচানোর সুযোগ খুঁজছে।

বিষয়টি আমরা সেভাবেই দেখছি – একটি আরব রাষ্ট্রে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর ভ্রমণ ও সে রাষ্ট্র কর্তৃক ইসরাইলকে স্বীকৃতি প্রদানের সম্ভাবনা তৈরি ইত্যাদি বিষয়কে যেভাবে দেখছি। ইমরান খান সৌদি আরব থেকে বিশাল প্যাকেজ নিয়ে আসলেন আবার সৌদি আরবকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র; সবকিছুর মধ্যে যোগসূত্র খুঁজলে অবশ্যই সন্দেহের সুযোগ আছে।

ইসলাম টাইমস : কোন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এসে সুপ্রিম কোর্ট এ রায় দিলো?

আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : মামলাটি হয় জেনারেল আদালতের সেশন কোর্টে। তারা আসিয়া বিবির মৃত্যুদণ্ড দেয়। সে রায় প্রাদেশিক হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডের রায় যথাযথভাবে বহাল রাখেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট তাকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

ইসলাম টাইমস : আদালত কি তাহলে ধর্ম অবমাননার বিষয়টি খাটো করে দেখছেন?

আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : আমি পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের রায়টি পড়েছি। রায়ের ভূমিকায় আদালত ধর্মাবমাননার বিষয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট করেছেন। তারা বলেছেন, রাসুলুল্লাহ সা.-এর অবমাননার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড; কমপক্ষে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। সেখানে তারা কুরআন-হাদিস ও পাকিস্তানের আইনের ধারাগুলো উল্লেখ করেছেন।

দ্বিতীয় পয়েন্টে তারা বলেছেন, কেউ আল্লাহর রাসুল সা.-কে অপমান করলে তাকে বিনা শাস্তিতে ছেড়ে দেয়ার সুযোগ নেই। অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্ট স্বীকার করেছেন রাসুল সা.-এর অবমাননা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই বলা যায়, ধর্মাবমাননা আইনকে তারা খাটো করে দেখছেন না। অন্তত রায়ের ভাষ্য তাই বলে।

ইসলাম টাইমস : তাহলে কোন যুক্তিতে তাকে বেকসুর খালাস দেয়া হলো?

আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : মামলার মূল রায়ে বলা হয়েছে, খেয়াল রাখতে হবে কাউকে যেন অন্যায়ভাবে দায়ী করা না হয়। আসিয়া বিবিকে ছেড়ে দেয়ার ক্ষেত্রে আদালত কয়েকটি যুক্তি দিয়েছে। তা হলো- এক. মামলা দায়ের করা হয়েছে ৫ দিন পর। কোর্ট বলছে দেরি করার কারণে সন্দেহ তৈরি হয়।

দুই. তারা বলছে সাক্ষীদের কথায় বৈপরীত্ব আছে। একজন বলেছে মহিলা এক হাজার লোকের সামনে স্বীকার করেছে এবং অপরজন বলেছে দুইশো লোকের সামনে স্বীকার করেছে।

তিন. আদালত বলছেন, আসিয়া বিবি জনসম্মুখে দোষ স্বীকার করলেও কোর্টের সামনে স্বীকার করেনি।

ইসলাম টাইমস : এ যুক্তিগুলো গ্রহণযোগ্য মনে করেন?

আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ :  আমরা মনে করি, এটা গ্রহণযোগ্য কারণ হতে পারে না। কারণ, বর্তমানে সারা পৃথিবীতে যুগ যুগ পার হয়ে যাওয়ার পরও ফৌজদারি অপরাধের বিচারকাজ শুরু হচ্ছে।

আমাদের দেশের আলোচিত মামলাগুলোর মধ্যে জেলহত্যা মামলা, বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে বহু বছর পর।

এখনও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের বিভিন্ন বিষয়ে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা হচ্ছে। এগুলোও মেনে নেয়া হচ্ছে। অনেক সময় দেখা যায় ঘটনার পর মামলা দায়ের করার মতো উপযুক্ত পরিবেশ থাকে না। সুপ্রিম কোর্ট ৫ দিনের দেরিতে যে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ আছে। তারা সত্যি সন্দিহান নাকি ঘটনাকে সন্দেহযুক্ত করা হচ্ছে-এটা দেখার বিষয়।

খুব স্পষ্ট কথা- মহিলা স্বীকার করেছিল একটি গ্রাম্য শালিসের একটি ভরা সভায়, নিশ্চয় সাক্ষীরা সভাটির জনসংখ্যা গুণে দেখেননি।

আর ২০০৯ সালের পর এতো বছর গেলো, দুটো আদালতে রায় হলো, আসিয়া বিবির পক্ষে এতো আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী কাজ করলো তারপরও তো পূর্বের দুটি আদালত মহিলাটির মৃত্যুদণ্ড দেয়ার যুক্তি খুঁজে পেয়েছিলেন। আদালত এটাকে কেন এতো বড় করে দেখছে? কতোজনের সামনে স্বীকার করলো তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কতোজন তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলো।

তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, যারা সাক্ষ্য দিয়েছিলো তাদের কেউ অস্বীকার করেছে কিনা? মহিলাটির স্বীকারোক্তির ব্যাপারে তাদের কথায় কোনো বৈপরীত্ব আছে কিনা?

আমরা যারা আইন পড়ি এবং পড়াই আমাদের কাছে রায়টি পড়ে সন্দেহ হচ্ছে। আদালত রায়টি আগে থেকে লিখে রেখেছে কিনা!

এটা খুব স্বাভাবিক যে মৃত্যুর প্রশ্নের মুখে কেউ দোষ স্বীকার করবে না। দোষ স্বীকার করলে তো তার ফাঁসি হয়ে যাবে। আর আদালতে স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে তার মামলার রায় হয়নি; বরং একটি ভরা সভায় শালিসের সম্মুখে স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে রায় হয়েছে।

সর্বশেষ আদালত বলেছে, অভিযুক্তদের দোষ প্রমাণ করার দায়িত্ব বাদীর। সেটি সে সন্দেহাতীতভাবে করতে পারেনি। আমরা বুঝি না, আর কতোজন সাক্ষী দিলে আদালতের কাছে তা সন্দেহমুক্ত হতো।

এখানে আরেকটি কথা ভাবার মতো বিষয়। তাহলো, গতকাল রায়ের সময় এই মামলার বাদীকে আদালতে প্রবেশ করতেও দেয়া হয়নি। যদিও দেশি-বিদেশি বহু সংবাদকর্মী আদালতে যেতে পেরেছেন। কিন্তু বাদীকে বাইরে আটকে রেখেছিলো আদালতের কর্মীরা। আর জনসমাগম শুরু হওয়ার মাঝেই কয়েক সেকেন্ডে সংক্ষিপ্ত রায় দিয়ে আদালত এজলাস ত্যাগ করেন। এসব দেখার পরও কি কোনো বিবেকবান মানুষ সন্দেহমুক্ত থাকতে পারে?

ইসলাম টাইমস : এতোদিন পর এসে পূর্বের রায়ের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি রায় হলো। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহের অবকাশে আছে?

আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : হ্যাঁ, আছে। হাইকোর্টের রায়ের পর আপিল বিভাগ এতোদিন রায় ঝুঁলিয়ে রাখা সন্দেহজনক। পাকিস্তান দীর্ঘদিন মৃত্যুদণ্ড ঝুঁলিয়ে রেখেছে। ইউরোপীয় যেসব দেশ মৃত্যুদণ্ড বিরোধী তাদের খুশি করতেই পাকিস্তান এমনটি করেছিলো। গত বছর দুয়েক আগ থেকে আবার নতুন করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা শুরু করেছে পাকিস্তান।

এ মামলাটিও সেভাবেই ঝুলে ছিলো। কিন্তু হঠাৎ করেই সুপ্রিম কোর্ট পূর্বের রায় প্রত্যাখ্যান করে সম্পূর্ণ নতুন রায় প্রদান করলো। এ রায়ের মাধ্যমে পাকিস্তান সরকার এক ঢিলে দুই পাখি শিকার করার চেষ্টা করছে। একদিকে ব্লাসফেমি আইন বাতিল না করে এবং বিচার অব্যাহত রেখে জনগণকে বোঝাচ্ছে যে আমরা তোমাদের অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল, অন্যদিকে তাকে খালাস দিচ্ছে যাতে পশ্চিমারা খুশি হয়।

এই মামলাকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের একজন গভর্নর পর্যন্ত খুন হয়েছেন। আপনার মনে থাকবে নিশ্চয়, এ মামলাকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি ও তার বন্ধু সালমান তাসির ধর্মাবমাননা আইনটি উঠিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। ফলে দেহরক্ষীর হাতে সালমান তাসিরের প্রাণ যায়। আমি মনে করি, আজকের রায় তারই একটি ভদ্র ধারাবাহিকতা। আইনও থাকলো আবার বিচারও হলো না।

ইসলাম টাইমস : ব্লাসফেমি আইন নিয়ে সমালোচনাও আছে প্রচুর। এ আইনের যৌক্তিকতা কী?

আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : সমালোচকরা সমালোচনা করতেই পারে।

এ আইনটিকে ধর্মীয় দৃষ্টি থেকে দেখার চেয়ে রাষ্ট্রের শৃংখলাজনিত বিষয় হিসেবেই দেখা দরকার। রাষ্ট্রের শৃংখলা রক্ষায় ধর্ম ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব সবারই শ্রদ্ধাশীল থাকতে হয়। ধর্মের আবেগ মানুষের মন-মস্তিষ্ক ও রক্তের সাথে মিশে থাকে। সেখানে যদি কোনো বাঁকা কথা শোনে তার মধ্যে তিক্ততা তৈরি হয় তবে বহু মানুষের জীবন যেতে পারে। উপমহাদেশে বহু সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয়েছে। ভারতে এই ধর্মাবমাননাকে কেন্দ্র করে এখনও বহু প্রাণহানি ঘটছে। এখনও হচ্ছে এই ধর্মের কারণে। ধর্মটা এমন বিষয়।

প্রত্যেকেই সাধারণভাবে ধর্ম ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে। এখানে আখেরাতকে টেনে আনার আগেই দুনিয়ার প্রয়োজনটা দেখতে হবে।

ইসলাম টাইমস : এই আইনের ব্যাপারে অনেকেই বাক-স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্ন তোলেন।

আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : দুনিয়ার কোনো জায়গায় মতপ্রকাশ বা বাক-স্বাধীনতা শর্তহীন নয়। আমাদের দেশেও সংবিধানের যেখানে বাক-স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে ৭-৮ টি শর্তের কথা বলা হয়েছে। বাক-স্বাধীনতা থাকলেই আপনি কাউকে গালি দিতে পারবেন না। সাধারণ মানুষকেও গালি দিতে পারবেন না। সে মানহানি মামলা করে দিবে।

ইউরোপীয় আদালত অনেক দেরিতে হলেও বলেছেন। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ধর্ম অবমাননাকে শামিল করে না। কথাটা তাদের আরও আগেই বলা দরকার ছিলো। তাহলে তারাও ভালো থাকতো, আমরাও ভালো থাকতাম।

ইসলাম টাইমস : মুসলিম বিশ্বের অন্যান্য দেশে এর কী প্রভাব পড়তে পারে?

আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : যেহেতু আইনটি অধিকাংশ দেশে নেই। তাই খুব বেশি প্রভাব পড়বে না। তবে আমি মনে করি, এ থেকে আইনজীবীরা লুকোচুরিটা শিখবে। মানবরচিত আইন মেনে চলা আইনজীবীদের অবস্থা এমনই। বিচারকরা অনেক সময় কঠিন রায় দিবে। মনে হবে সে সত্যের পক্ষে রায় দিলো। আবার কখনো এমন রায় দিবে যাতে আপনি সন্দিহান হয়ে যাবেন – সে মন থেকে রায় দিচ্ছে নাকি নিয়োগদাতাদের খুশি করার জন্য রায় দিচ্ছে।

শুধু পাকিস্তান না দেশে দেশেই এটা হচ্ছে। তাদের রায় নিয়ে সন্দেহের উদ্রেক হচ্ছে। তাদের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যাচ্ছে। আবার অনেক বিচারক অবসর গ্রহণ করে বিদেশ গিয়ে নির্বাহী বিভাগের প্রতি আঙুল তুলছে যে, তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয়া হয়নি।

ইসলাম টাইমস : এ মামলার রায় ভিন্ন রকম হতে পারতো কী?

আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ : হ্যাঁ, আদালতের যদি কিছুটা সন্দেহ হয়ে থাকে তবে মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে অন্য শাস্তি দিতে পারতো। সে সমন্বয় করতে পারতো। আজকে জনমনে যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে সেটা দেখা দিতো না।

পূর্ববর্তি সংবাদইসরাইলে ব্রাজিলের দূতাবাস হবে জেরুসালেমে : ব্রাজিলিয়ান প্রেসিডেন্ট
পরবর্তি সংবাদসংলাপে সন্তুষ্ট নন ড. কামাল