ইসলাম টাইমস ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার আলোচিত প্রশ্নফাঁস মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৭ জন শিক্ষার্থীসহ ১২৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে সিআইডি।
আজ রোববার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এ অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার সুমন কুমার দাস। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন এবং পাবলিক পরীক্ষা আইনে এই অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।
আদালত সূত্র বলছে, এই মামলার অভিযোগপত্র আজ আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় জমা দেওয়া হয়। ১২৫ জন আসামির মধ্যে পলাতক আছেন ৭৮ জন। মামলার পর গ্রেপ্তার ৪৭ জন আসামি বর্তমানে জামিনে আছেন। এদের মধ্যে ৪৬ জন আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দেন। অপরাধীদের মধ্যে ১৮ জন ছাত্রলীগের বিভিন্ন কমিটির পদধারী নেতা ছিলেন। আর তিনজন ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী।
সিআইডি প্রধান জানান, অর্গানাইজড ক্রাইম ইউনিটের বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল দীর্ঘ তদন্ত করে। তদন্তের মাধ্যমে তারা দেশের সর্ববৃহৎ প্রশ্নফাঁস ও ডিজিটাল জালিয়াত চক্রকে চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ২০১৮ সালের ৩০ জানুয়ারি জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হওয়া এবং জালিয়াতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে এই ৮৭ জনের মধ্যে ১৫ জনকে বহিষ্কার করেছিল।
তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এ প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার শুরু ২০১৭ সালের ১৯ অক্টোবর মধ্যরাতে। ওই দিন গণমাধ্যমকর্মীদের কিছু তথ্যের সূত্র ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ্ হল থেকে ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিন রানা এবং অমর একুশে হল থেকে আবদুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। তাঁদের তথ্যের ভিত্তিতে পরদিন পরীক্ষার হল থেকে ইশরাক হোসেন নামের এক পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়। এ তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদে পরে একে একে চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের নাম বেরিয়ে আসে।
















