কক্সবাজারে ১ কেজি মরিচ ২৫০ টাকা

ইসলাম টাইমস ডেস্ক:  বন্যার কারণে কক্সবাজারের চকরিয়ায় মরিচের দাম গিয়ে ঠেকেছে কেজি প্রতি ২৫০ টাকায়। অথচ বন্যার আগে এই এলাকায় প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছিল ৫০-৬০ টাকায়। প্রায় পাঁচ গুণ বেশি দামে মরিচ কিনতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহেও প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ৫০-৬০ টাকায়। কিন্তু এখন বিক্রেতারা প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম চাইছেন ২৫০ টাকা। মরিচের পাশাপাশি দাম বেড়েছে অন্যান্য সবজিরও। প্রতি কেজি ঢ্যাঁড়স ৪৫-৫০ টাকা, করলা ৬৫-৭০ টাকা, বেগুন ৫৫-৬০ টাকা, ঝিঙে ও চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ টাকা, শসা ৭০ টাকা, গাঁজর ৭০ টাকা ও টমেটো ১৪০-১৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

গত ৬ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত হওয়া টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ডুবে যায় চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। পানিবন্দী হয়ে পড়ে লাখো মানুষ। বন্যার সময় দুই উপজেলার বেশির ভাগ সবজি খেত পানিতে ডুবে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় দেড় হাজার কৃষক।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,  আগে চকরিয়ার সবজি কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের আড়তে যেত। অথচ এখন আড়তে সবজি যাচ্ছে লামা ও আলীকদম থেকে। বন্যার কারণে চকরিয়ার বেশির ভাগ খেতের সবজি নষ্ট হয়ে গেছে। এ কারণে সবজির দাম বেড়েছে।

স্থানীয় আরেকজন গণমাধ্যমকে বলেন ‘আমনের বীজতলা থেকে শুরু করে সব সবজি খেত সপ্তাহ খানিক পানির নিচে ছিল। তবে সবজির বাম্পার ফলন হওয়ায় বাজারে এখনো অত প্রভাব পড়েনি।’

পেকুয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক মিনহাজ উদ্দিন বলেন, সবজির দাম আকাশচুম্বী হয়ে গেছে। বাজার তদারকি করেও দাম বৃদ্ধি ঠেকানো যাচ্ছে না। বন্যায় ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বিক্রেতাদেরও বাধ্য হয়ে বেশি দামে ফসল বিক্রি করতে হচ্ছে।

পূর্ববর্তি সংবাদভারতে এবার প্রাক্তন মুসলিম সেনা অফিসারকে পিটিয়ে হত্যা
পরবর্তি সংবাদরোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে মধ্যস্থতা করতে চায় জাপান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী