ইসলাম টাইমস ডেস্ক: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার সুব্রত কুমার দাসের ঘুষ গ্রহণের বেশ কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে জেলা-উপজেলাজুড়ে চলছে নানা গুঞ্জণ।
এদিকে, দলিল লেখকরাও দাবি করেছেন, ওই অফিসে ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না। এসব বিষয় নজরে আসার পর সাব-রেজিষ্ট্রারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক এবং জেলা রেজিষ্ট্রার।
দলিল লেখকরা বলছেন, ঘুষ ছাড়া তিনি কোন দলিলই পাশ করেন না। নিজ হাতে ঘুষের টাকা বুঝে নিয়ে তারপর দলিলে স্বাক্ষর করেন সাব-রেজিষ্ট্রার সুব্রত কুমার দাস। এজন্য তাকে দলিল প্রতি দেড় হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা দিতে হয়। আর টাকা না দিলে ফাইল নড়ে না তার টেবিল থেকে।
যে কারণে দলিল লেখকরা দাতা ও গ্রহীতাদের কাছে থেকে তা আদায় করে দিতে বাধ্য হন। এর প্রতিবাদে দলিল লেখকরা আন্দোলন করেও কোন লাভ হয়নি। উল্টো ৫ জন দলিল লেখক সাসপেন্ড হয়েছেন।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওগুলোর একটিতে দেখা যায়, শাহজাদপুর সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের সাব-রেজিস্ট্রার সুব্রত কুমার দাস নিজেই একজন দলিল লেখকের কাছ থেকে ১৫০০ টাকা উৎকোচ নিচ্ছেন।
আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, একটি দলিলের উৎকোচ বাবদ আনিছ নামের এক ব্যক্তিকে প্রথমে ৩ হাজার টাকা দিলে তিনি ওই দলিল লেখককে বলেন স্যার ৩৫০০ টাকা দিতে বলেছেন। পরে দলিল লেখক টাকা না দিয়ে সাব-রেজিষ্ট্রারকে ফোন দিতে বলেন। আনিছ সঙ্গে সঙ্গে সাব-রেজিষ্ট্রার সুব্রত কুমার দাসকে ফোন দিয়ে কথা বলেন। এরপর ৩ হাজার টাকা ফেরত দিয়ে বলেন ৩৫০০ টাকার কমে হবে না। বাধ্য হয়ে ওই দলিল লেখক তাকে ৩৫০০ টাকাই প্রদান করেন।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহম্মদ বলেন, সাব-রেজিস্ট্রারের বিষয়ে আমি শুনেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া
















