ইসলাম টাইমস ডেস্ক: যশোরে সোর্সের সাথে মিলে পুলিশের এসআই কতৃক আসামির স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। জেলার শার্শা উপজেলায় ওই গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তিনজনের নাম উল্লেখ ও একজনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হলেও ধর্ষিতা নারী যাকে ‘প্রধান অভিযুক্ত’ হিসেবে দাবি করেছিলেন মামলায় সেই এসআই খায়রুলকেই আসামি করা হয়নি।
এদিকে ‘প্রধান অভিযুক্ত’ এসআই খায়রুলকে জেলা পুলিশ লাইনসে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনা তদন্তে মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সালাহউদ্দিন শিকদারকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিনদিনের মধ্যে তাদের রিপোর্ট পেশ করতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দুপুরে ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূ সাংবাদিকদের জানান, শার্শার লক্ষণপুর গ্রামে তার স্বামী আসাদুজ্জামান আশাকে গত ২৫ আগস্ট রাতে শার্শা উপজেলার গোড়পাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই খায়রুল বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরদিন ২৬ আগস্ট আশার নিকট থেকে ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে দেখিয়ে তাকে আদালতে চালান দেয়।
তিনি অভিযোগ করেন, গোড়পাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই খায়রুল ও তার সোর্স গত ২ সেপ্টেম্বর সোমবার রাতে বাড়িতে গিয়ে তার নিকট ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে তার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি দেন। এ নিয়ে তার সঙ্গে ঝগড়াও হয়। একপর্যায়ে এসআই খায়রুল ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এরপর এসআই খায়রুল ও তার সোর্স কামরুল ওই নারীকে ধর্ষণ করে। এরপর ৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে ওই নারী যশোর জেনারেল হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্যে এলে বিষয়টি জানাজানি হয়।
দর্ষিতা গৃহবধূ আরো অভিযোগ করেন, সোমবার রাতে ঘরের ভেতরে গিয়ে প্রথমে এসআই খায়রুল ও পরে পুলিশের সোর্স কামরুল তাকে ধর্ষণ করে। এসময় সোর্স লতিফ ও কাদের ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল।
















