মিরপুর হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার ১ : ‘ফ্লাটে অপরিচিত তরুণ-তরুণীর আনাগোনা ছিল’

ইসলাম টাইমস ডেস্ক : মিরপুর -২ নম্বরে  যে ভাড়া বাসায় দুই নারীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে সেখানে অনেক অপরিচিত তরুণ-তরুণীর আনাগোনা ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। স্থানীয়রা মনে করছেন, সেখানে অনৈতিক কার্যকলাপ চলত। বিষয়টি নিয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে।  । এই ঘটনায় সোহেল নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে এ তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) কৃষ্ণপদ রায়।

নিহতরা হচ্ছেন গৃহকর্ত্রী রহিমা ওরফে সাহেদা বেগম (৬০) ও তার গৃহকর্মী সুমি (২০)। সুমি মাত্র একদিন আগে ওই বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজে যোগ দেন। আটক সোহেল গৃহকর্ত্রীর পালিত ছেলে হিসেবে ওই বাসায় থাকতেন বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, রহিমা ওরফে সাহেদা বেগম ও তার পালিত ছেলে সোহেল ৬ মাস আগে মিরপুর ২ নম্বর সেকশনের এ ব্লকের ২ নম্বর রোড়ের ১১ নম্বর বাসাটির চার তলায় দুই রুমের একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেন। সেখানেই থাকতেন তারা। ফ্ল্যাটটির মালিক হচ্ছেন মো. আবুল কাশেম নামের এক ব্যক্তি।

নিহত সাহেদার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সাহেদা বেগমের স্বামী কুদ্দুছ মিয়া থাকেন যশোরে। তাদের মেয়ে রাশিদা বেগম তার পরিবার নিয়ে নারায়ণগঞ্জে বসবাস করেন। সোমবার (২ ডিসেম্বর) রহিমার বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজে যুক্ত হন সুমি। পরদিনই গৃহকর্ত্রীর সঙ্গে হত্যা করা হয় তাকে।

দুই নারীর এমন মৃত্যুর ঘটনাকে অস্বাভাবিক উল্লেখ করে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় বলেন, দুই কক্ষের একটি বাসা। এই বাসার একটি কক্ষের ফ্লোরে দুটি মৃতদেহ পড়ে আছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে শ্বাসরোধ করে দুইজনকে হত্যা করা হয়েছে। তবে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ করছেন। মরদেহ দুটি ময়না তদন্ত করলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে বলা যাবে।

ওই ফ্ল্যাটের একটি রুমের বিছানাপত্র এলোমেলো থাকতে দেখা গেছে। আরও কিছু আলামত আমরা সংগ্রহ করেছে। তবে তদন্ত করলে বিস্তারিত জানা যাবে।

 

পূর্ববর্তি সংবাদইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত ২ শতাধিক
পরবর্তি সংবাদহিন্দু নেপালে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় রক্তাক্ত’ উৎসব ‘গাধিমাই’