ইসলাম টাইমস ডেস্ক: কাদিয়ানিদের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের কাফের ঘোষণা ও সম্প্রতি বি-বাড়িয়ার কান্দিপাড়ায় মাদ্রাসা ছাত্রদের উপর হামলাকারী কাদিয়ানিদের গ্রেফতারর দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় আলেম উলামা।
আজ (২৩ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার বি-বাড়িয়ার জামিয়া ইসলামিয়া ইউনূছিয়া মাদ্রাসার সামনে থেকে সি অফিস পর্যন্ত এ বিক্ষোভ মিছিলে বিভিন্ন মাদ্রসার কয়েক হাজার শিক্ষার্থী ও বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশগ্রহন করে বলে ইসলাম টাইমসকে জানিয়েছেন জামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসার সহকারি নাযেমে তালিমাত মুফতি আবদুর রহিম কাসেমী ও জামিয়া দারুল আরকামের সিনিয়র শিক্ষক মুফতি আবু দাউদ আরকামী
বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, মুফতী মোবারক উল্লাহ, মুফতী আব্দুর রহিম কাশেমী, মুফতী এনামুল হাসান, আনোয়ার বিন মুসলিম, মাওলানা যাকারিয়া, মাওলানা মতিউর রহমান, মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাওলানা জয়নাল আবেদীন, মাওলানা বোরহান উদ্দিন, মুফতি আবু দাউদ আরকামী প্রমূখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, আমাদের দাবি একটায় কাদিয়ানী সম্প্রদায়কে রাষ্ট্রীয়ভাবে কাফের ঘোষণা করতে হবে। এটা প্রত্যেক মুসলমানদের প্রাণের দাবি। মাদরাসা ছাত্রদের উপর হামলাকারী কাদিয়ানিদেরকে অবিলম্বে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। সাথে সাথে কাদিয়ানিদের সকল পণ্য বর্জন করার জন্য সকলকে আহবান জানান বক্তারা।
বিক্ষোভ মিছিলে জামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসার সহকারি নাযেমে তালিমাত মুফতি আবদুর রহিম কাসেমী বলেন, সাংবাদিকরা যদি হেফাজত ও কওমীর সংবাদ প্রচার না করে তাহলে বুঝা যাবে তারা কাদিয়ানীদের দালাল। তিনি আরও বলেন, কাদিয়ানীরা কাফের, সরকার তাদেরকে কাফের বলুক বা নাই বলুক।

বক্তারা বলেন, এসব দাবী বাস্তবায়নে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি প্রতি ইউনিয়নে বিক্ষোভ সমাবেশ ও ২৭ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ সমাবেশ করা হবে। বক্তব্য শেষে দেশ ও জাতির শান্তি কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন জামিয়া ইউনুছিয়ার সহকারি নাযেমে তালিমাত মুফতি আবদুর রহিম কাসেমী। পরে টিওনোর কাছে স্মারকলিপি দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, গত ১৪ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সন্ধ্যার পর বিবাড়িয়ার জামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসার ছাত্রদের ওপর কাদিয়ানিরা সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে। হামলায় জামিয়া ইউনুসিয়া-র বেশ কয়েকজন ছাত্র আহত হন।
কাদিয়ানিদের এ সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বিবাড়িয়ার রাজপথ উত্তাল হয়ে ওঠে। গত (১৪ জানুয়ারি) মঙ্গলবার বাদ ইশা হাজার হাজার ইসলামপ্রিয় জনতা ও মাদরাসার তালিবে ইলমরা প্রতিরোধ ও বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।
















