ইসলাম টাইমস ডেস্ক : ইসলাম সবকিছুতেই মধ্যপন্থা পসন্দ করে। যৌনকর্মীর জানাযাকে ইসলাম যেমন অস্বীকার করে না তেমনি এতে গণমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিও ইসলাম অনুমোদন করে না। কারণ এতে সমাজে অশ্লীলতার কাজের প্রতি মানুষের ঘৃণা কমে যেতে পারে।
বাংলাদেশে দৌলতদিয়ায় গত বৃহস্পতিবার আরেক যৌনকর্মীর জানাজা পড়ানো হয়েছে স্থানীয় পুলিশের উদ্যোগে। ২০শে ফেব্রুয়ারি দুপুরে মারা যাওয়া যৌনকর্মী রীনা বেগমের জানাজা পড়ানো হয় বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে।
দৌলতদিয়ায় যৌনপল্লী সংলগ্ন কবরস্থানে স্থানীয় পুলিশের উদ্যোগে আয়োজন করা জানাজায় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অনেকেই উপস্থিত হয়েছিলেন বলে জানান গোয়ালন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার রীনা বেগমের জানাজা পড়ান গোয়ালন্দ থানা মসজিদের ইমাম আবু বকর সিদ্দিক।
গত ৬ই ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মত হামিদা বেগম নামের এক যৌনকর্মীর জানাজা পড়ানো হয়েছিল। ঐ জানাজার আয়োজনও করা হয়েছিল স্থানীয় পুলিশ প্রধান আশিকুর রহমানের উদ্যোগে।
তবে সেই জানাজার নামাজ পরিচালনা করা দৌলতদিয়া রেলস্টেশনের ইমাম গোলাম মোস্তফা জানিয়েছিলেন যে তিনি ভবিষ্যতে আর কোনো যৌনকর্মীর জানাজা পড়াবেন না।
হামিদা বেগমের জানাজা পড়ানোর পর স্থানীয়ভাবে সমালোচনার মুখে পড়ার কারণেই তিনি আর কোনো যৌনকর্মীর জানাজা না পড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের অনেক বোদ্ধা আলেম মনে করছেন, একদিকে গাজীপুরে ফরজ নামাজ বাধ্যতামূলক করাকে অসাংবিধানিক বলা কিন্তু এর পাশাপাশি যৌনকর্মীদের জানাযা নিয়ে এত মাতামাতি করা অনেকের মনেই প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এতে সমাজে অশ্লীলতার সয়লাব ঘটানোর ক্ষেত্রে মিডিয়াগুলোর ভূমিকা রাখছে বলেও মনে করেন কেউ কেউ।
















