জোড়া লাগানো হল সড়ক দুর্ঘটনায় বিচ্ছিন্ন শিক্ষিকার হাত

ইসলাম টাইমস ডেস্ক :  শিক্ষা সফরের সড়ক দুর্ঘটনায় রাজধানীর কাকরাইলে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষিকা সৈয়দা ফাহিমা বেগমের (৪৮) বিচ্ছিন্ন হওয়া হাতটি জোড়া লাগানো হয়েছে।

 

এর আগে দুপুরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোনাপাড়ায় পাথালিয়া পেট্রলপাম্পের সামনে শিক্ষা সফরে যাওয়ার সময় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে বাস ধাক্কা দেয়ায় ঢাকা উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষিকা সৈয়দা ফাহিমা বেগমের হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ঘটনায় ওই বাসে থাকা আরও কমপক্ষে ১৩ শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা আহত হন।

শিক্ষিকা ফাহিমা বেগমের স্বামী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সৈয়দ শফিকুল ইসলাম। শান্তিনগরে থাকেন। তার গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায়।

ফাহিমা বেগমকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে এনে ঢাকায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তার বিচ্ছিন্ন হওয়া হাতটি জোড়া লাগান।

ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক হোসাইন ইমাম জানান, শিক্ষিকার হাতটি কয়েকটি জায়গায় ভেঙে গেছে। চিকিৎসকরা হাতটি সংযুক্ত করেছেন ঠিকই, তবে হাতটি সচল হবে কিনা, তা নির্ভর করছে বাধাহীন রক্ত সঞ্চালনের ওপর। সে সম্পর্কে নিশ্চিত হতে কমপক্ষে ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগবে।

এ ছাড়া তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত রয়েছে। ইনস্টিটিউটের প্রধান অধ্যাপক আবুল কালামের নেতৃত্বে অর্থোপেডিক, প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের সার্জনসহ কয়েকটি বিভাগের চিকিৎসকের সমন্বয়ে ফাহিমা বেগমের হাতে অস্ত্রোপচার করেন।

দুর্ঘটনায় আহত অন্যরা হলেন- শিক্ষার্থী আবু নাফিস চৌধুরী (১৯), এহসান (১৫), আবু হাসান (২০), সাইমন (১৬), তৌহিদ আহমেদ (১৮), সৈয়দ মাহিদ (২৩), অন্তর (১৮), মাহমুদ (১৭), শাহরিয়ার (১৮), আরাফাত (১৮), কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম (২৫) বেলাল (৪০) ও তরিকুল (৩০)। তাদের গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

পূর্ববর্তি সংবাদরোহিঙ্গা হত্যা নিয়ে রিপোর্ট করায় রয়টার্সের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের মামলা
পরবর্তি সংবাদঠাকুরগাঁওয়ে কোপা শামসু নামে যুবককে কুপিয়ে হত্যা করল দুর্বৃত্তরা