ইসলাম টাইমস ডেস্ক : সম্প্রতি সরকারের ধর্মমন্ত্রণালয় থেকে মসজিদে নামাজের জামাতে এবং জুমার জামাতে সংখ্যা নির্ধারণপূর্বক মুসল্লিদের উপস্থিতি সীমিত করে দেওয়া হয়েছে। এতে অনেকেই সরকারের নতুন নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে মসজিদের জামাত ও জুমার জামাতের বিষয়ে আলেমদের মতামত জানতে চেয়েছেন।
এ বিষয়ে ইসলাম টাইমসের পক্ষ দেশের একাধিক নির্ভরযোগ্য আলেম ও দারুল ইফতার দায়িত্বশীলদের সাথে যোগাযোগ করে জানা গেছে- সরকারের এ নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ মুসল্লিদের ঘরে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের অবকাশ রয়েছে। এক্ষেত্রে তারা ঘরে নামাজ পড়ার কারণে গোনাহগার হবেন না। তবে এক্ষেত্রেও ঘরে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরকে নিয়ে জামাতে নামাজ পড়া উত্তম।
জুমার বিষয়ে দায়িত্বশীল আলেমদের প্রতিনিধিগণ জানিয়েছেন যে, জুমার ক্ষেত্রেও সাধারণ মুসল্লিগণ জুমার পরিবর্তে অন্যান্য দিনের মত ঘরে জোহর পড়ে নিবেন। এদিনও ঘরে জোহরের জামাত করার সুযোগ আছে।
ফিকহের কিতাবাদিতে শহরে মসজিদে জুমার জামাত হলে সেখানে জোহরের জামাতকে মাকরুহ বলা হয়েছে_ এমন প্রশ্নের জবাবে মুফতি সাহেবগণ বলেন, ফিকহের কিতাবাদিতে জুমার নামাজ হয় এমন শহরে জোহরের জামাতকে যে মাকরুহ তাহরিমা বলা হয়েছে তা বিশেষ কারণের সাথে নির্ধারিত, যা বর্তমান অবস্থায় পাওয়া না।
তাই বর্তমান অবস্থায় জুমার দিন একাকী কিংবা জামাতে উভয় অবস্থায় জোহরের নামাজ শরীয়তসিদ্ধ হবে। জোহরের জামাত মাকরুহ হবে না।
তবে এক্ষেত্রে ঘরে জুমার নামাজ পড়ার সুযোগ আছে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে মুফতি সাহেবগণ বলেন, যদি জুমার নামাজের শর্তগুলো পাওয়া যায়, যেমন ইমাম মুআযযিন সহ চারজন মুসল্লি হওয়া, খোতবা দেওয়া ইত্যাদি তাহলে ঘরে জুমার নামাজ আদায় করলেও আদায় হয়ে যাবে। তবে এক্ষেত্রেও সাধারণ নিয়ম হল জোহর নামাজ আদায় করা।
















