জাতীয় মাওলানা আনসারীর জানাজা: কোয়ারেন্টাইনে থাকা ৪ গ্রামের বাসিন্দাদের উপসর্গ নেই ইসলাম টাইমস ডেস্ক: বিশিষ্ট ওয়ায়েজ আলেম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারীর জানাযায় অংশগ্রহণকারী গ্রামের মানুষের মধ্যে করোনার উপসর্গ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন সরাইলের ৪টি গ্রাম বেড়তলা, বড়িবাড়ি, সীতাহরন, শান্তিনগর এবং আশুগঞ্জ উপজেলার খড়িয়ালা, বগুইর, মৈশার। তবে কোয়ারেন্টাইনের এই ১৪ দিনে গ্রামগুলোর বাসিন্দাদের মধ্যে সেভাবে করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা যায়নি।জানাযার পর করোনা সংক্রমন ঠেকাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল ও আশুগঞ্জ উপজেলার ৭ গ্রামের প্রায় ৩০/৩৫ হাজার মানুষের ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দেয় পুলিশ প্রশাসন। যার মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ শনিবার।গত ১৮ই এপ্রিল সকালে মাওলানা জুবায়ের আহমেদ আনসারীর নামাজে জানাযা সরাইলের বেড়তলায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে তার প্রতিষ্ঠিত জামিয়া রাহমানিয়া মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এতে অনেক লোকের সমাগম হয়। এরপর ওইদিন সন্ধ্যা থেকে এসব গ্রামের মানুষকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেয়া হয়। কেউ যেন ঘর থেকে না বের হন সেজন্য গ্রামগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।কোয়ারেন্টাইন চলাকালে কেউ যেন ঘর থেকে বের না হন সেজন্য স্থানীয় ইউপি সদস্যের সমন্বয়ে যুবসমাজদের দিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির সসস্যরা নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌঁছে দেন।সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মো: নোমান মিয়া জানান, তাদের এলাকাধীন ওইসব গ্রামের মানুষজনের মধ্যে বিরতিহীনভাবে ১৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়। তবে তাদের মধ্যে কারো সংক্রমন পাওয়া যায়নি। তিনি আরো জানান- গোটা উপজেলায় মোট ৫৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে এ পর্যন্ত। এরমধ্যে তেরকান্দা গ্রামের এক নারীর ফলাফল পজেটিভ আসে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া বক্ষব্যাধি হাসপাতালে আইসোলেশনে রয়েছেন।