ইসলাম টাইমস ডেস্ক : আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের এক হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে সশস্ত্র হামলায় দুই শিশু ও ১২ জন নারী নিহত হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে বেশ কয়েকজন শিশুসহ আরো ১৫ জন কয়েকজন বন্দুকধারীর চালানো ঐ হামলায় আহত হয়েছে।
ওদিকে, দেশটির পূর্বাঞ্চলে এক জানাযায় বোমা হামলায় ২৪ জন মারা গেছে।
এসব হামলার প্রেক্ষিতে দেশটির প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি জানিয়েছেন যে তালেবান ও অন্যান্য গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান আবারও শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে নানগারহার এলাকায় এক পুলিশ কমান্ডারের জানাযায় অনুষ্ঠানে হামলার দায় স্বীকার করেছে ইসলামিক স্টেট। তবে কাবুলের হাসপাতালে হামলাটির পেছনে কারা ছিল তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তালেবানরা এই হামলার সাথে জড়িত নয় বলে জানিয়েছে।
হাসপাতালে কী হয়েছিল?
মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ১০ টায় হাসপাতালে দু’টি বিস্ফোরণ এবং গুলির শব্দ শুনতে পায় বলে জানান স্থানীয়রা।
হামলা চলার সময় পালিয়ে যেতে সক্ষম হওয়া এক চিকিৎসক জানান, বন্দুকধারীরা যখন হামলা চালায় তখন হাসপাতালে অন্তত ১৪০ জন ছিলেন।
হামলা শুরু হওয়ার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন রমজান আলী। তিনি সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে জানান: “তারা হাসপাতালে আসা মানুষের দিকে কোনো কারণ ছাড়াই গুলি ছুঁড়ছিল। এটি একটি সরকারি হাসপাতাল এবং এখানে অনেক মানুষই পরিবারের নারী ও শিশুদের চিকিৎসা করাতে নিয়ে আসে।”
আফগানিস্তানের স্পেশাল ফোর্স তিনজন বিদেশিসহ ১০০ জন নারী ও শিশুকে উদ্ধার করেছে বলে বিবিসিকে জানায় এক উদ্ধারকর্মী।
হামলাকারীরা পুলিশের পোশাক পরে হাসপাতালে প্রবেশ করে। পরে নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে চলা বন্দুকযুদ্ধ শেষে হামলাকারীদের সবাই মারা যায়।
ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া একটি ছবিতে দেখা যায় সেনাবাহিনীর এক সদস্য রক্তাক্ত চাদরে মুড়িয়ে এক নবজাতককে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাচ্ছে।
















