নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সেনাদের বিরুদ্ধে তদন্ত ঘোষণা মিয়ানমারের

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: সাধারণ মানুষদের পেটানো এবং হত্যার হুমকি দেয়া সেনা সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী৷ একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়৷

শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে পাঁচ ব্যক্তিকে একটি নৌকার পাটাতনে চোখ এবং হাত বাঁধা অবস্থায় ফেলে পেটাতে দেখা যায়৷ একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘‘স্যার, আমি সাধারন মানুষ!” সেনাবাহিনীর একজন বলে ওঠেন, ‘‘কেমন সাধারন মানুষ? তোরা আমাদের বিরুদ্ধে লড়ছিস কেন?”

কাঁদতে থাকা ওই ব্যক্তির চুল টেনে গালে থাপ্পড় মেরে আরেক সেনাসদস্য তখন বলে ওঠেন, ‘‘ওদের মরতে দাও, ভেঙে পড়তে দাও৷” এ সময় আরেক সেনাসদস্য একজনের মুখে উপর্যুপরি লাথি মারতে থাকেন৷

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করা কিংবা ওই দৃশ্য কে ধারণ করেছেন তা তাদের পক্ষে জানা সম্ভব হয়নি৷ মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দাবি, ভিডিওটি গত ২৭ এপ্রিল রাখাইন রাজ্যের পোনাগিউন এলাকায় করা৷

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আরো দাবি করা হয়, ধৃত পাঁচ ব্যক্তির মধ্যে যাকে পেটানোর ভিডিও করা হয়েছে তিনি কায়াক সেইক গ্রামের অধিবাসী৷ গত এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে সেখানে আটজন নিহত হয়৷

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আরো দাবি করা হয়, ধৃত পাঁচ ব্যক্তির মধ্যে যাকে পেটানোর ভিডিও করা হয়েছে তিনি কায়াক সেইক গ্রামের অধিবাসী৷ গত এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে সেখানে আটজন নিহত হয়৷

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা এক বিবৃতিতে ঘটনা তদন্তের আশ্বাস দিয়ে বলা হয়, ‘‘নিরাপত্তা বাহিনীর কয়েকজন সদস্যকে আইন বহির্ভূত উপায়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দেখা গেছে৷” তবে যাদের পেটানো হয়েছে, বিবৃতিতে তাদের আরাকান বাহিনীর সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে আটক করার কথা জানানো হয়৷ ধৃত ব্যক্তিদের স্বজনরা তাদের আরাকান বাহিনীর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন৷

এদিকে, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দাও মিন তুন টেলিফোনে রয়টার্সকে জানান, ঘটনার তদন্তে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে৷ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সেনা সদস্যদের আটক করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি৷ সূত্র: ডিডব্লিউ।

পূর্ববর্তি সংবাদমহামারী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৫ বছর লেগে যেতে পারে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
পরবর্তি সংবাদশবে কদর: হাজার মাস থেকে উত্তম রজনী