ইসলাম টাইমস ডেস্ক: ইসলামের ইতিহাসে মহান খলিফা হযরত ওমর ইবনে আব্দুল আজিজ রহ. ও তাঁর স্ত্রী ফাতেমা বিনতে আবদুল মালেকের কবরে ইরানের শিয়াদের মদদপুষ্ট সিরিয়ার আসাদবাহিনীর হামলা ও অবমাননার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শিয়াদের সাহাবা তাবেয়ীদের প্রতি বিদ্বেষের চরিত্রটি আবার সামনে চলে এসেছে। বস্তুত সাহাবা-তাবেয়ীদের প্রতি বিদ্বেষ থেকেই শিয়া মতবাদের সূচনা।
ইমাম শাবী রহ. বলেছেন, যদি ইহুদিকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম লোক কারা? তারা বলবে, হযরত মূসা আ. এর সঙ্গীরা। যদি খৃস্টানদেরকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম কারা? তারা বলবে, আমাদের মধ্যে উত্তম, ঈসা আ. এর হাওয়ারীগণ। পক্ষান্তরে যদি শিয়াদেরকে জিজ্ঞাসা করা হয়, মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উম্মতের মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট কারা? তারা এক কথায় বলে ওঠবে, সাহাবারা।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তেইশ বছর অক্লান্ত মেহনত করে যে সাহাবাদেরকে গড়ে তুলেছেন, যাদের ঈমান ও তাকওয়ার সাক্ষ্য খোদ কুরআন মাজিদ প্রদান করেছেন সেই সাহাবাদের বিষয়ে শিয়াদের বিশ্বাস হল, তিন জন ছাড়া সকল সাহাবীই মুরতাদ।
শিয়াদের নিকট নির্ভরযোগ্য কিতাব আল জামেউল কাফিতে আছে, রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পর তিন জন ছাড়া সকলেই মুরতাদ হয়ে যান। সেই তিন জন হলেন, মিকদাদ বিন আসওয়াদ র., সালমান ফারসি র., আবু যর গিফারী র.।
রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পর সকল সাহাবা মুরতাদ হয়ে যান- এই বিশ্বাসের ভিত্তিতেই তারা বলে থাকে- কুরাআন যেহেতু সাহাবাদের মাধ্যমে এসেছে এই কুরআন আসল কুরআন নয়। আসল কুরআন যা তা আরও বড়। তা বার ইমামের সাথে কোনো গুহায় গোপন আছে।
মোটকথা, কুরআন সুন্নাহ এবং ইতিহাস থেকে সাহাবাদের যে চিত্র ফুটে ওঠে, তার থেকে সম্পূর্ণ এক বিপরীত চিত্র তুলে ধরে শিয়া মতাবলম্বীরা। তাদের নিকট মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ২৩ বছরের মেহনত একেবারে বেকার।
বস্তুত রাসূলের ইন্তিকালের পর দিন থেকে তারা চেয়েছে, এই উম্মাহ কে তাদের নবী থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিতে। তারা ইসলামের সকল বুনিয়াদ উপড়ে ফেলতে চেয়েছে। তারা ইসলামের পরিবর্তে এক বিকৃত নতুন ধর্ম প্রবর্তন করেছে। এমন কি তারা ইসলামের কালিমাকেও মানতে নারাজ।
















