ইসলাম টাইমস ডেস্ক: শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরে ১২ বছর বয়সী দাখিল এক মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ১২ বছর বয়সী মেয়েটিকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিচার করার আশ্বাস দিয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছেন ইউপি মেম্বার ও স্থানীয় মাতাব্বরা।
সোমবার (১৫ জুন) দুপুরের উপজেলার ডিএমখালি ইউনিয়নের আফতাব উদ্দিন সরকার কান্দি গ্রামে এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় মামলা করতে চাওয়ায় ধর্ষিতার পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে ধর্ষকের পরিবারের লোকজন। ঘটনার পর থেকে ধর্ষক জয়নাব (১৬) পলাতক রয়েছে বলে জানান ওই শিক্ষার্থীর স্বজনরা। ধর্ষিতা স্থানীয় চরচান্দা দাখিল মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ও কৃষক দুলাল মোল্লার মেয়ে।
মাদ্রাসা ছাত্রীর পরিবার ও স্থানীয় ভাবে জানা যায়, সোমবার দুপুরে শিশুটিকে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে পাশের মোহাম্মদ উল্লাহ সরকার কান্দি গ্রামের ইয়াছিন মালের ছেলে জয়নাব মাল বিষয়টি প্রথমে জয়নাবের পরিবার, পরে স্থানীয় ইউনিয়নের সদস্যসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানান।
এ ঘটনায় জড়িতদের বিচার করার আশ্বাস দিয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছেন ইউপি মেম্বার শাহালম পাজরী। তিনি ও স্থানীয় আরেক মাতাব্বর মিলে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে । কিন্তু আশ্বাসের দুইদিন পেরিয়ে গেলেও কিছুই করেননি মেম্বার। উল্টো ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই পরিবারটি।
ওই মেয়েটির বাবা ক্ষোভ প্রকাশ করে কান্না জড়িত কন্ঠে জানান, আমার মেয়েকে জোরপূর্বক জয়নাব তুলে নিয়ে ধর্ষণ করেছে। মেম্বারকে জানিয়েও কোন কিছু হয় নাই। দুইদিন পার হয়ে গেছে।এর কোন বিচার হবে না। সবাই নিরব ভূমিকা পালন করছে।
ডিএমখালি ইউনিয়নের ৮ নং ওয়াড়ের সদস্য (মেম্বার) শাহালম পাজরী বলেন, শুনেছি ধর্ষণ করা হয়েছে। দুই পক্ষই গরিব। আমরা স্থানীয়ভাবে বসে সমাধানের চেষ্টা করেছি।
ডিএমখালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম মাদবর বলেন,এ বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই। বিষয়টি এখনি জানার চেষ্টা করছি।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনাম হোসেন বলেন, এখনো কেউ থানায় এসে অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
















