ইসলাম টাইমস ডেস্ক: নানা হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে যাচ্ছেন চট্টগ্রাম মেডিকেলে। তাতে হাসপাতালে পৌঁছতেই কেউ ঢলে পড়ছেন মৃত্যুর কোলে, কারও অবস্থা গুরুতর। বন্দরনগরীর সবচেয়ে বড় সরকারি হাসপাতালের সামনে এখন প্রতিদিনই মিলছে এমন চিত্র। কারণ এখনও বেশিরভাগ রোগীকে চিকিৎসা দিচ্ছে না বেসরকারি হাসপাতালগুলো। আর চট্টগ্রাম মেডিকেলে গেলে সেখানেও রয়েছে নানা সংকট।
চমেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে স্ট্রেচারে নিথর দেহ শিক্ষক নুরুল আলমের। যার প্রাণপ্রদীপ নিভে গেছে চিকিৎসার অভাবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়ায় সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারি স্কুলের এই শিক্ষককে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র হয়ে নেয়া হয় ইউএসটিসি বঙ্গবন্ধু হাসপাতালে। অভিযোগ কোথাও তিনি পাননি নূন্যতম চিকিৎসা। ফলে সব ঘুরে চট্টগ্রাম মেডিকেলে পৌঁছুতেই মারা যান।
জোলেখা বেগম। খিঁচুনি দেখা দিলে গর্ভবতী এই নারীকে নেয়া হয় চন্দ্রঘোনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। তবে জ্বর থাকায় ভর্তি করাননি তারা। তাই এসেছেন চট্টগ্রামে।
চট্টগ্রাম মেডিকেলের জরুরি বিভাগের সামনে প্রতিদিনই মিলছে এমন সব দু:সহ কষ্টগাঁথা। বেসরকারি হাসপাতালগুলো ঘুরে ঘুরে হয়রান হয়ে এখানে এসে কেউ ঢলে পড়ছেন মৃত্যুর কোলে। শেষমেষ কারো ঠাঁই হচ্ছে সরকারি হাসপাতালে।
তবে একদিকে রোগীর চাপ আরেকদিকে নানা অসঙ্গতি আর সীমাবদ্ধতা। তাই কখনো কখনো এখানেও সেবা না পাওয়ার অভিযোগ মেলে। গুরুতর রোগীকে সেবা দেয়ার থাকে না কেউ।
এদিকে করিডোরের পাশে করোনা ওয়ার্ড। তাই জরুরিবিভাগ থেকে অন্যান্য ওয়ার্ডে ভর্তি দেয়া রোগীদের পাঠানো হয় বাইরের সড়ক দিয়ে। ফলে নানা ভোগান্তি মাথায় নিয়েই যেতে হয় তাদের। যদিও এসব বিষয়ে জানতে গেলে কথা বলেননি চিকিৎসক।
















