বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে তিস্তার পানি

বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে নীলফামারীর তিস্তা নদীর পানি। ছবি: সংগৃহীত

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: নীলফামারীতে তিস্তার নদীর পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে আজ শুক্রবার সকাল ৬টায় ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানির এ স্রোত রেকর্ড করা হয়।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৬টায় তিস্তার পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। আজ ভোর থেকে সেটি বেড়ে ২০ সেন্টিমিটার হয়েছে।’

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় ২৪০ মিলিলিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, টানা দুই দিনের বৃষ্টির ফলে তিস্তাসহ জেলার সকল নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে লোকালয়ে বন্যা দেখা দিয়েছে। তিস্তার চরাঞ্চলেও বন্যা দেখা দিয়েছে। তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে উজানের ঢল সামাল দিতে।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানরা জানিয়েছেন, চরাঞ্চলে ১০ হাজার পরিবার ইতিমধ্যে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বসতঘরে পানি ঢুকছে। আমন ধানের বীজতলার পাশাপাশি বাদামের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিভিন্ন পুকুরের মাছ বের হওয়ার ফলে মৎস্য চাষিদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

আরো পড়ুন: উত্তরাঞ্চলে কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

টানা বৃষ্টিপাতের কারণে জেলার অধিকাংশ নিচু এলাকায় বন্যা দেখা দিয়েছে। ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার পূর্বছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশাচাঁপানী, ঝুনাগাছচাঁপানী, ডাউয়াবাড়ি, গোলমুন্ডা, শৌলমারী, কৈমারীসহ ১০ ইউনিয়নের তিস্তা অববাহিকার ১৫টি চর ও গ্রাম বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ওই সকল এলাকায় বসবাসকারীদের নিরপদে উঁচু স্থানে সরে থাকার জন্য বলা হয়েছে।

পূর্ববর্তি সংবাদসৌদি আরবে কমেছে করোনায় আক্রান্তের হার
পরবর্তি সংবাদটেকনাফে পাহাড়ি এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ চার ডাকাত নিহত