ইসলাম টাইমস ডেস্ক: চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়াসহ নানা খাতে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে মানিকগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের বিরুদ্ধে।
দুর্জয়ের নির্বাচনী এলাকার অসংখ্য বেকার যুবক বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরির আশায় সর্বস্ব খুইয়েছেন। তারা এমপি দুর্জয়ের পেছনে যেমন মাসের পর মাস ধরনা দিয়েছেন, চাকরবাকরের মতো ফুটফরমায়েশ খেটেছেন, পাশাপাশি চাকরি নিশ্চিত করতে এমপির ঘনিষ্ঠদের হাতে তুলে দিয়েছেন লাখ লাখ টাকা। কিন্তু শেষমেশ তাদের কারোরই ভাগ্যে চাকরি জোটেনি, ফেরত পাননি টাকাও।
মানিকগঞ্জের দৌলতপুরের চরকাটারী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক স্বপ্ন দেখেন ছোট একটি চাকরির। কিন্তু চাকরি তো হয়ই-নি, উল্টো স্থানীয় সংসদ সদস্য দুর্জয়ের নামে তারই ভাগ্নে আব্বাস ঘুষ বাবদ হাতিয়ে নিয়েছেন ৫ লাখ টাকা। তারও চাকরি হয়নি। টাকাও ফেরত দেওয়া হয়নি। সে টাকার বিপরীতে গত প্রায় আড়াই বছর ধরে সুদের ঘানি টানছে তার পরিবার।
তিনি বলেন, ‘টাকা ফেরত না পেয়ে আমি এমপি (দুর্জয়) সাহেবের সঙ্গে ঢাকায় তার লালমাটিয়ার বাসায় দেখা করি। একপর্যায়ে তিনি আমাকে বলেছেন আরও কিছুদিন ধৈর্য ধর। আবার সার্কুলার দিলে তোর চাকরি হয়ে যাবে।’ কিন্তু সে চাকরি জোটেনি আজও।
একই উপজেলার লাউতারা গ্রামের মৃত মহির উদ্দিনের ছেলে আবদুল আজিজও এমপি চক্রের নির্মম চাকরি বাণিজ্যের শিকার হয়েছেন। স্কুলে পিয়নের চাকরি নিতে তাকেও খোয়াতে হয়েছে ১৪ শতাংশ জমির ওপর গড়ে তোলা একটি গাছের বাগান এবং এনজিও থেকে নেওয়া ঋণের পুরোটাই।
















