ইসলাম টাইমস ডেস্ক : প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) খান মো. নূরুল হুদা বলেছেন, আমরা প্রত্যক্ষ করেছি, সমগ্র দেশে নির্বাচনের একটি সুবাতাস, একটি অনুকূল আবহ সৃষ্টি হয়েছে। মানুষের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ত নির্বাচনমুখী আচরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নির্বাচনের সাথে সম্পৃক্ত প্রার্থীদের মধ্যে উৎসাহ দেখা যাচ্ছে এবং তাদের কর্মকাণ্ডের মধ্যে তা প্রতিফলিত হচ্ছে। তারা অনবরত সভা-মিছিল করে যাচ্ছেন। দেশব্যাপী একটি সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ-পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।’
সিইসি আজ আগারগাঁওস্থ ইটিআই ভবনে নির্বাচনের দিন সফটওয়্যার সংক্রান্ত ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তৃতা এসব কথা বলেন।
ভোট নির্বাচন কমিশনের কাছে একটি আমানত উল্লেখ করে খান মো. নূরুল হুদা বলেন, ‘সেই আমানত, সেই ভোটের ফলাফলগুলো বিশ্লেষণ এবং বিতরণ করার জন্য আপনাদের হাতে চলে যাবে। কোন রকমের ভুল-ত্রুটির মাধ্যমে প্রার্থীদের অবস্থান নির্ধারণে যেন ব্যাঘাত না ঘটে, এটা অতন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটু ভুলের কারণে অনেক দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সঠিকভাবে এই দায়িত্ব পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে ৩০ তারিখের পর একটা নতুন সরকার গঠন হবে, সেটার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। আমরা অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি যে, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেটার নিয়ামক হিসেবে যে যার অবস্থান থেকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।
মাঠ পর্যায়ে অভিযোগ জমা দেয়ার অনুরোধ জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘আমাদের যেটা অসুবিধা হয়, সেটি হলো অভিযোগগুলো নির্বাচন কমিশনের কাছে চলে আসে। এই অভিযোগগুলো আমাদের কাছে না এসে রিটার্নিং অফিসার এবং ইলেকট্রোরাল ইনকুয়ারি কমিটির কাছে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান পাবেন।
অনুষ্ঠানে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘আপনাদের মূল কাজ হলো নির্বাচনের রেজাল্ট পাঠানো। দায়িত্বশীলতার সাথে এই কাজটি করতে হবে। তা নাহলে আপনার একটি ভুলের কারণে এলাকায় লঙ্কা কান্ড ঘটে যেতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘এখানে আপনারা যারা আছেন, তাদের প্রত্যেকেই কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ। নির্বাচনের ফলাফল যতটা সম্ভব দ্রুততার সাথে পাঠাবেন। তবে আবার দ্রুততার সাথে পাঠাতে গিয়ে যাতে ভুল না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বাংলাদেশের ইতিহাসে নির্বাচন কমিশন এবারই প্রথমবারের মতো বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।’ খবর বাসস-এর।
















