ইসলাম টাইমস ডেস্ক: দুই সপ্তাহ ধরে সবজির বাজারে আগুন লেগে আছে। মানুষের দুর্ভোগ কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। যেই সবজিগুলোর দাম আগে কেজি প্রতি ৫০ থেকে ৭০ টাকা ছিল, সেগুলো এখন ৬০ থেকে ১০০ টাকা।
সবজির দাম কমতে আরও এক মাস লাগবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর কৃষকেরা নতুন সবজি আবাদ শুরু করেছেন। ওই সবজি এলেই শুধু দাম কমতে পারে।
চাল, পেঁয়াজ ও আলুর দাম নির্ভর করছে নতুন মৌসুম ও সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর। আর ভোজ্যতেলের দাম কমতে পারে কেবল বিশ্ববাজারে দর পড়তে শুরু করলে। ফলে শিগগিরই মানুষের দুর্ভোগ কমছে না।
বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের দাম বেঁধে দেওয়া ও জরিমানার কৌশল তেমন একটা কাজ করছে না। যেমন গত ১৪ সেপ্টেম্বর ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার পর জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বাজারে ব্যাপক অভিযান চালায়। ব্যবসায়ীদের বিপুল জরিমানা করা হয়। কিন্তু প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম এখনো ৯০ থেকে ১০০ টাকায় রয়ে গেছে।
দেশে নতুন মৌসুমের আগাম পেঁয়াজ উঠবে আগামী ডিসেম্বর মাসের শুরুতে। এর আগে আমদানি বাড়লেই কেবল দাম কমতে পারে। চট্টগ্রামের পেঁয়াজ আমদানিকারক ফারুক আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ভারত রপ্তানি বন্ধের পর বিকল্প দেশ থেকে আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খোলা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পেঁয়াজ আসবে এ মাসের শেষ থেকে।
কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ৭ অক্টোবর আলুর দাম প্রতি কেজি ৩০ টাকায় বেঁধে দিয়ে তা কার্যকরের জন্য জেলা প্রশাসকদের চিঠি পাঠায়। বাজারে নির্ধারিত দামে আলু বিক্রি হচ্ছে না। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রতি কেজি আলু ৫০ টাকায় বিক্রি হয়। আর কারওয়ান বাজারের পাইকারি দোকানে আলু বিক্রি হয় ৪২ থেকে ৪৩ টাকা কেজিতে। ফলে পাইকারি বাজারে দাম তিন টাকার মতো কমেছে বলে দেখা যায়। অথচ পাইকারির জন্য নির্ধারিত দাম প্রতি কেজি ২৫ টাকা।
















