প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের শত শত মানুষ নিহত হয়েছে। গত সপ্তাহে টাইগ্রেয়ান বাহিনী প্রতিবেশি ইরিত্রিয়ায় রকেট হামলা চালালে উত্তেজনা আরও বাড়তে শুরু করে। এই সংঘর্ষের কারণে ইথিওপিয়ার অন্যান্য অঞ্চল ও হর্ন অব আফ্রিকায় অস্থিতিশীলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। ইতোমধ্যে সংঘাত কবলিত এলাকা থেকে প্রায় ২৫ হাজার শরণার্থী সুদানে পালিয়ে গেছে।
ইথিওপিয়ার সরকারের জরুরি টাস্ক ফোর্স জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ চূড়ান্ত অভিযানের বিষয়ে সতর্ক করার আগে মেকেল্লের বাইরে সরকারি বাহিনী সুনির্দিষ্ট স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছে। একইসঙ্গে স্থল বাহিনীও অগ্রসর হওয়া অব্যাহত রেখেছে। টাইগ্রের আঞ্চলিক সরকার বলছে, ইথিওপিয়ার সরকারি বাহিনীর ওই অভিযানে বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছে। তবে ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইথিওপিয়ার জরুরি টাস্ক ফোর্স।
এমন প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার এক ফেসবুক পোস্টে ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ লেখেন, ‘টাইগ্রে বিশেষ বাহিনী এবং মিলিশিয়াদের জাতীয় প্রতিরক্ষার কাছে আত্মসমর্পণের জন্য দেওয়া তিন দিনের আল্টিমেটাম… আজ শেষ হয়েছে। সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ায় আগামী দিনে আইন প্রয়োগের চূড়ান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ চালানো হবে।’
টাইগ্রে টেলিভিশনে প্রচারিত ফুটেজে দেখা গেছে একটি আবাসিক এলাকায় বোমা বর্ষণ করা হয়েছে। ওই বোমাবর্ষণে মেকেল্লের ভূমিতে গর্ত হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া বাড়ির ছাদও দেখানো হয়েছে। সেখানকার পরিস্থিতি বর্ণনা করে এক বাসিন্দা টেলিভিশনটিকে বলেন, ‘কয়েকটি বিস্ফোরণের আওয়াজ শুনতে পাই। বুম, বুম, বুম শুনতে পেয়ে আমি ঘরে ঢুকে যাই। পরে যখন বাইরে আসি তখন এইসব ধ্বংসযজ্ঞ দেখতে পাই।’
তবে যোগাযোগ বন্ধ এবং সংবাদমাধ্যমের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় টাইগ্রে অঞ্চলের পরিস্থিতি স্বাধীনভাবে যাচাই করা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের জন্য কঠিন করে তুলেছে।
ইজে
















