আমার এক ভাই ফ্লাইটে করাচিতে আসছিলেন। বিমানে তিনি দেখলেন যে তার সাথে সিটে একজন ′′ হাজী সাহেব ′′ টাইপের ব্যক্তি এসে বসেছেন । নামাজের সময় হলে হাজী সাহেব আসনে বসে নামাজ শুরু করেন । যখন হাজী সাহেব তার নামাজ শেষ করেন, তখন আমার ভাই তাকে বললেন, এভাবে নামাজ হয় না।
হাজী সাহেব বললেন, “আলেমদের কাছ থেকে শুনেছি, এভাবে নামাজ পড়ে নেয়া উচিত। ′′
করাচী বিমানবন্দরে ফ্লাইট নামার সময় হিদায়াতুল্লাহ সুদুখানী ভাই আমার ভাইকে রিসিভ করতে আসেন । তিনি ভাইকে রিসিভ না করে সোজা হাজি সাহেবের কাছে গিয়ে অনেক সম্মানের সাথে দেখা করলেন । হাজী সাহেব যখন চলে গেলেন, তিনি আমার ভাইকে নিয়ে বাসায় গেলেন । গাড়িতে চড়ে আসার সময় ভাই হিদায়াতুল্লাহ সাহেবকে জিজ্ঞেস করলেন, ভাই, এরা কারা যাদের সাথে আপনি এত সম্মানের সাথে দেখা করেছেন?”
তিনি বললেন, তিনিই মুফতি আজম পাকিস্তান মুফতি রাফি উসমানী সাহেব ছিলেন।
প্রিয় পাঠক, এবার পিছন ফিরে হাজী সাহেবের উত্তরটা আবার পড়ুন। কী অসাধারণ সৌজন্যবোধ, কী আদব ও বিনয়! তারা মুফতি আজম হয়েও নিজেদেরকে লুকান সহযাত্রীদেরকে লজ্জা থেকে রক্ষা করতে এবং সরাসরি মাসআলা বলার পরিবর্তে বলেন, আমি আলেমদের থেকে শুনেছি। আর আমাদের কী অবস্থা!
















