ইসলাম টাইমস ডেস্ক: গত ২০ ডিসেম্বর রবিবার জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউ কে-র উদ্যোগে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমী (রহ) এর জীবন ও কর্ম শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইউকে জমিয়ত আয়োজিত আলোচনা সভায় বাংলাদেশ ও ব্রিটেনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইসলামী নেতৃবৃন্দ বলেন, মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমী (রাহ.) দেশের সর্বজন শ্রদ্ধেয় ও শীর্ষ একজন প্রভাবশালী আলেমেদ্বীন ছিলেন। তিনি হক ও ন্যায়-নীতির ওপর অটল-অবিচল একজন নিষ্ঠাবান আলেম ছিলেন। হকের উপর তিনি ছিলেন দৃঢ় মজবুত। বাতিলের সাথে কখনো আপোষ করেননি তিনি। তাঁর ইন্তেকালে ইসলামি অঙ্গনে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে তা কখনো পূরণ হবার নয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্য বাংলাদেশ জমিয়তের সহ সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক বলেছেন, ইসলাম-মুসলমান, দেশ ও জাতির পক্ষে প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী (রাহ.) বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন। দ্বীনের প্রতিটি শাখায় আল্লামা কাসেমী (রাহ.)এর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও ত্যাগ তিতিক্ষা ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ থাকবে।
মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক বলেন, আল্লামা কাসেমী ছিলেন একজন দরবেশ আলেম। দুনিয়ার কোন লোভ লালসা তাঁর মধ্য ছিলনা। তিনি ছিলেন আদর্শ শিক্ষক, তাঁর মত একজন দরদী উস্তাদ আমি জীবনে দেখিনী।তিনি ছিলেন অনেক দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের অভিবাভক । বেফাকের জন্মলগ্ন থেকে তিনি ছিলেন এর সত্যিকার মুখলিস অভিবাভক ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা মনজুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেছেন, আল্লামা কাসেমী ছিলেন বাংলাদেশের লক্ষ কোঠি তৌহিদী জনতার প্রাণপ্রিয় নেতা। লক্ষ লক্ষ তৌহিদী জনতা তাঁর জানাযায় অংশগ্রহণ করেন ।তিনি ছিলেন আমাদের সকল কাজের প্রেরণা।তিনি এভাবে চলে যাবেন তা এখনও মনকে বুঝাতে পারিনা।তিনি জমিয়ত কে জাতিয় সংগঠনে রুপান্তরিত করেছেন । দেশব্যাপি জমিয়তের কাজ কে এগিয়ে নিতে মাওলানা আফেন্দী সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
ইজে
















