টঙ্গীতে তাবলিগ জামাতের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল

কিশোরগঞ্জ থেকে আমিন আশরাফ: আজ শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের আহ্বানে কিশোরগঞ্জে ১ ডিসেম্বর টঙ্গীতে নিরীহ ছাত্র-শিক্ষক তাবলিগ সাথীদের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিলোত্তর প্রতিবাদসভায় বেফাকের সহসভাপতি, জামিয়া ইমদাদিয়ার প্রিন্সিপাল মাওলানা আযহার আলী আনোয়ার শাহ বলেন, টঙ্গীতে হামলার বিষয়ে সরকার রহস্যজনকভাবে নীরব ভূমিকা পালন করছে। সরকার চাইলে খুব তাড়াতাড়ি দোষী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করে শাস্তির আওতায় নিতে পারে।

বৃহষ্পতিবার রাতে বিক্ষোভ মিছিলের সংবাদ সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ার পর আজ জুমআর নামাজের আগেই দূর-দূরান্ত থেকে তাওহিদি জনতা ও তাবলিগ জামাতের সাথীরা শহীদী মসজিদ চত্বরে জমায়েত হতে শুরু করেন। নামাজ শেষে শহীদী মসজিদ, পুরান থানা ও একরামপুরসহ তার আশেপাশের এলাকা লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়।

জুমআর নামাজের পর মাওলানা আযহার আলী আনোয়ার শাহ-এর নেতৃত্বে শহীদী মসজিদের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে গৌরাঙ্গবাজার মোড় পেরিয়ে, কালিবাড়ি, আখড়াবাজার, রথখোলা, গৌরাঙ্গবাজার হয়ে আবারও শহীদী মসজিদ চত্বরে এসে অবস্থান নেয়। মিছিলকারীরা ওয়াসিফ-নাসিম, ইউনুস, ফরীদ উদ্দীন মাসঊদসহ দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তির দাবি করে নানা স্লোগান দেন।

বিক্ষোভ মিছিলের পর আলোচনায় বক্তব্য রাখেন মাওলানা আযহার আলী আনোয়ার শাহ। বক্তব্যে তিনি বলেন, সরকারের উচিত অবিলম্বে টঙ্গীতে সন্ত্রাসী হামলার দায়ীদের ব্যক্তিদের খোঁজে তাদের শাস্তি দেয়া। তিনি সরকারের কাছে টঙ্গীতে আহত ছাত্রদের সুচিকিৎসারও দাবি জানান। যদি দোষীদের ব্যক্তিদের বিচার না করা হয় তাহলে তাওহীদী জনতা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। আরো প্রতিবাদ বক্তব্য রাখেন মাওলানা শফিকুর রহমান জালালাবাদী, মাওলানা ইমদাদুল্লাহ, মাওলানা হিফজুর রহমান খান, মাওলানা তৈয়ব, সৈয়দ সিরাজুল হুদা প্রমুখ।

তিনি এতায়াতি ভাইদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান যে, তারা যেন তাওবা করে আলেম-উলামাদের কাতারে শামিল হন। তারপর সংক্ষিপ্ত দুআর মাধ্যমে বিক্ষোভ মিছিল সমাপ্ত ঘোষণা করেন।

পূর্ববর্তি সংবাদনিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার পরও মিলছে না মাহফিলের অনুমতি
পরবর্তি সংবাদইজতেমা ময়দানে হামলার প্রতিবাদে টঙ্গীতে বৃহত্তম প্রতিবাদ সভা