ইসলাম টাইমস ডেস্ক: ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ের ঢল নেমে আসায় দেশের প্রধান নদ-নদী অববাহিকায় পানি বেড়েই চলেছে। ফলে দেশের ২৩টি জেলায় বন্যা ছড়িয়ে যাওয়া দুর্গত মানুষের সংখ্যা ১৫ লাখ ছাড়িয়েছে৷ এতে ফসলি জমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন জেলায় পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া বলছেন, সার্বিকভাবে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে৷ বেশ কিছু অঞ্চলে পানি নেমে গেছে৷ বেশকিছু জায়গায় পানি বেড়েছে৷ তবে উত্তরাঞ্চল ও উত্তর মধ্যাঞ্চলে অবনতি হয়েছে৷ তবে পানি বাড়ার প্রবনতা দু’একদিনের মধ্যে কমে আসবে বলে মনে করছেন তিনি৷
তার হিসেবে, সিলেট, সুনামঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোণা, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল–এই ১১টি জেলায় এখনো বন্যা পরিস্থিতি রয়েছে৷ বাকি জেলাগুলোর অবস্থা কিছুটা উন্নতি হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, পানিও দ্রুত নেমে যাচ্ছে৷
এদিকে বন্যা পরিস্থিতির জন্য অন্যান্য কারণের পাশাপাশি মনুষ্য সৃষ্ট কারণও আছে বলে মনে করেন পরিবেশবিদ ড. আতিক রহমান৷ তিনি বলেন, ‘‘আগের মতো নদীর বহমানতা বা নেভিগেশন থাকলে চট করে পানিটা চলে যেত৷ এখন যেটা হয়েছে, পলি মাটি আসায় নদীর তলানিটা ভরাট হয়ে গেছে৷ ফলে পানিটাকে আর ধরে রাখা যায় না, সেটা ছড়িয়ে যায়৷ ফলে বন্যা বাড়তে থাকে৷ সমপরিমাণ বৃষ্টিতে আগের চেয়ে বেশি বন্যা হয়৷”
















