ইসলাম টাইমস ডেস্ক: কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসনের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের প্রতিবাদে পাকিস্তানের গণবিক্ষোভে হাজার হাজার লোক রাস্তায় নেমে আসেন। রাজধানী ইসলামাবাদেরর কনস্টিটিউশন অ্যাভিনিউতে সরকারি কার্যালয়ের সামনে কয়েক হাজার মানুষ জড়ো হন। এখানেই জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।
আজ শুক্রবার দুপুরে পাকিস্তান ও কাশ্মীরের জাতীয় সঙ্গীত সম্প্রচারের পর দেশজুড়ে সাইরেন বেজে ওঠে। এসময় বিক্ষোভের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে কয়েক মিনিটের গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকে। এছাড়া পাকিস্তানের অনেক নেতা কাশ্মীর আওয়ার পালন করেন। সিন্ধু প্রদেশের গভর্নর ইমরান ইসমাইল, বেলোচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী জ্যাম কামাল খান আলইয়ানি, খায়বার পাখতুংখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী মাহমুদ খান এবং পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী উসমান বুজদার ওই ইভেন্টে অংশ নেন। খবর পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডনের।
সমাবেশে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেন, আমাদের বিজেপি ও আরএসএসের রাজনীতি বুঝতে হবে। আরএসএস মনে করে হিন্দুরা সবার চেয়ে শ্রেষ্ঠ। তাদের ইশতেহার হচ্ছে- হয় মুসলমানদের ভারত থেকে বের করে দেও, নতুবা তাদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক বানিয়ে দাও। নাৎসিবাদীরা যেভাবে জার্মানিকে জিম্মি করে রেখেছিল, আরএসএসের মতাদর্শও সেভাবে গ্রহণ করেছে ভারত। কাশ্মীরিদের পক্ষে ইতিমধ্যে বিশ্বের দাঁড়ানোর কথা ছিল, কিন্তু সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে ধর্ম এখানে একটি পরিচয়সূচক ভূমিকা রেখেছে।

কাশ্মীর রাজ্যটিতে চার সপ্তাহ ধরে ব্যাপক যোগাযোগ অচলাবস্থা চলছে। এতে মানুষের চলাচলে নজিরবিহীন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। সেখানকার ফোন ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
নিরাপত্তা বাহিনীর ধরপাকড়ে ইতিমধ্যে কয়েক হাজার কাশ্মীরি গ্রেফতার হয়েছেন। তাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালানো হচ্ছে।
















