ইসলাম টাইমস ডেস্ক: কয়েক প্রজন্ম ধরে জর্ডান উপত্যকায় বসবাস করছেন ফিলিস্তিনি চাষিরা। সুফলা এই ভূমিতে চাষাবাদ করেই জীবিকা নির্বাহ হচ্ছে তাদের। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবার সেই ভূখণ্ডকে অবৈধ রাষ্ট্রটিতে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন।
কিন্তু ফিলিস্তিনি চাষিরা বলছেন, তারা কখনই এই উপত্যকাকে ছাড়বেন না।
জিফটলিক গ্রামের ৫৫ বছর বয়সী কৃষক হাসসান আল আবেদিও সেই দাবি করেন। তিনি বলেন, আমরা নেতানিয়াহু ও তার ভক্তদের বলছি- তোমরা কখনই আমাদের ইচ্ছাশক্তিকে ভাঙতে পারবে না, কখনও না, কখনই না।
‘এটি আমাদের বাপ-দাদাদের ভূমি। যতই মূল্য দিতে হোক না কেন, কখনই তা ছাড়ব না।’
পূর্বে জর্ডানের বিচ্ছিন্ন পর্বতমালার পটভূমিতে ফিলিস্তিনি চাষিরা তাদের ফসল আবাদ করেন। তারা এখন নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। আরিহা শহর ও জর্ডান নদী বাইবেলে বর্ণিত অতীতের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। যে কারণে তাদের আতঙ্ক এখন চরমে।
জাবিদাত গ্রামে বসবাস করেন ৭৫ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি ইসমাইল হাসান। তিনি বলেন, এটি নেতানিয়াহুর ভূমি না যে দিয়ে দেব। সে নির্বাচনে বিজয়ী কিংবা পরাজিত হোক, তা আমাদের দেখা বিষয় নয়; আমরা এটি মেনে নেব না।
এই বৃদ্ধ বলেন, এই ভূমি ফিলিস্তিনের, ফিলিস্তিনিদের।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার কট্টরপন্থী নেতানিয়াহু ঘোষণা করেন, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বরের পুনর্নির্বাচনের কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হতে পারলে জর্ডান উপত্যকা ও তার নিকটবর্তী মৃতসাগরের উত্তরাঞ্চলে ইসরাইলি সার্বভৌমত্ব আরোপের পরিকল্পনা নিয়েছেন তিনি।
আরব বিশ্ব ও ফিলিস্তিনি নেতারা তার এই পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছেন। অধিকৃত পশ্চিমতীর ও অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা নিয়ে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চান তারা।
নেতানিয়াহুর ওই পরিকল্পনায় আন্তর্জাতিক আইনের মারাত্মক লঙ্ঘন ঘটবে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।
















