সকাল সকাল ঘুমা থেকে ওঠার উপকারিতা

ইসলাম টাইমস ডেস্ক : ‘আর্লি টু বেড অ্যান্ড আর্লি টু রাইজ’ তাড়িতাড়ি ঘুমানো এবং তাড়াতাড়ি ওঠার জন্যে কবিতাটি  প্রসিদ্ধ। এটি কেবল এই ইংরেজি কবিতারই শিক্ষা নয়, এটা ইসলামেরও শিক্ষা। একজন মুমিন বান্দার জন্যে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে না ওঠার কথা কল্পনাও করা যায় না। কারণ, মুসলমান তো তার দিনের সূচনা করে ফজরের সালাত দিয়ে। আরও আগে বেড়ে, তাহাজ্জুদ নামাজের মাধ্যমে।

ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি ওঠার মধ্যে শুধু ধর্মীয় উপকারিতাই নয়, রয়েছে স্বাস্থ্যগত, কর্মগত এবং জাগতিক অনেক ফায়দা।  যেমন-

১) সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বেশিরভাগ সময়টা কাজে লাগাতে পারা যায়। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যে সমস্ত মানুষ তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠেন, তারা অনেক বেশি এনার্জিটিক হন। যে কোন কাজ করতে খুব কম সময় নেন তারা। শুধু তাই নয়, কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে, পরিকল্পনা করতে এবং লক্ষ্যে পৌঁছতে তারাই সেরা হন।

২) সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠার সব থেকে ভালো উপকারিতা হল, চিন্তামুক্তি। যখন আমরা তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠি, তখন সূর্যের নরম আলোয় আমাদের মাথা থেকে সব চিন্তা দূর হয়ে যায়। একটা পজেটিভ এনার্জি মনে কাজ করে। ফলে সারাদিনের সমস্ত কাজকর্ম সফল হয়।

৩) সকালে তখনই তাড়াতাড়ি ওঠা যায়, যদি তাড়াতাড়ি ঘুমাতেও যাওয়া যায়। একদিন তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাওয়া আর একদিন তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠলে চলবে না। এই নিয়ম নিয়মিত বজায় রাখতে হবে। তবেই আপনার ঘুম ভালো হবে এবং শরীর সুস্থ থাকবে।

৪) টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সমীক্ষা থেকে জানা গেছে, যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠে, তারা পড়াশোনায় অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি ভালো হয় এবং তাদের পরীক্ষার ফলাফলও ভালো হয়।