ইসলাম টাইমস ডেস্ক : বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে দিন দিন বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। এ অবস্থায় ঘরে বাইরে আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ। এই ঝুঁকির মধ্যেই দেশের নিম্ন আয়ের মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছে বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠন। খাবার, হ্যান্ড সেনিটাইজারসহ সচেতনতার বার্তা পৌঁছাতে নিরলস পরিশ্রম করছেন এসব সংগঠনের কর্মীরা। তবে এসব কাজের সঙ্গে জড়িতরা রয়েছেন চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে। আবার প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের হাত ধোয়ার বিষয়টিও খেয়াল রাখার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। চিকিৎসকদের মতে সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহারের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবীদের সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা প্রয়োজন।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিজ নিজ উদ্যোগে কাজ করছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো। এছাড়া ব্যক্তিপর্যায়ে কাজ করছেন অনেকেই। নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে খাবার, হ্যান্ড সেনিটাইজার, মাস্কসহ বিতরণ করছেন নানা সামগ্রী। এসব সামগ্রী বিতরণ করতে গিয়ে অনেক সময় স্বেচ্ছাসেবীরা সাধারণ মানুষের জটলার কাছে চলে যাচ্ছেন। কেউ কেউ গ্লাভস ছাড়াই বিভিন্ন সামগ্রী হস্তান্তর করছেন।
জানা যায়, তারা তাদের স্বেচ্ছাসেবীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করেই কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। কিন্তু সুরক্ষা সামগ্রী অপ্রতুল থাকায় সব কর্মীকে তা দেওয়া যাচ্ছে না। তাই সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কেউ কেউ সেচ্ছাসেবীদের জন্য পার্সোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) সরবরাহ করার কথাও ভাবছেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন স্বেচ্ছাসেবীদের পিপিই’র প্রয়োজন নেই, তবে সামাজিক দূরত্ব অবশ্যই পালন করতে হবে।
প্রিভেন্টিভ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, এসব ক্ষেত্রে আমরা গ্লাভস-মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে পরামর্শ দেই। যখন কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু হয়ে যায়, তখন শুধু আক্রান্ত কিন্তু সন্দেহজনক কোনও কেস থাকে না। তখন যে কেউ রোগের বাহক হতে পারে। এজন্য যারা সাধারণ মানুষের কাছে যাচ্ছেন, তাদের মাস্ক এবং গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া সামাজিক দূরত্ব অবশ্যই পালন করতে হবে। যদি কেউ গ্লাভস না পড়ে, তারা অবশ্যই ঝুঁকিতে থাকবে। খালি হাতে কাজ করার পর সেই হাত দিয়ে নাক-চোখ-মুখ স্পর্শ করলে করোনা আক্রান্ত হওয়ার খুব বেশি ঝুঁকি থাকে বলে সতর্ক করেন তিনি।
















