ইসলাম টাইমস ডেস্ক: মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রকোপ দিন দিন বাড়ছে। দেশের নানাবিধ কার্যাদি স্থবির থাকার পাশাপাশি বন্ধ আছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। খোলা নেই কওমি মাদরাসাগুলোও। চলতি বছরের পরীক্ষা সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। দাওরায়ে হাদিসের পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে রমযানের ঈদের পর পর্যন্ত।
মাদরাসাগুলো বন্ধ থাকায় এবং মানুষের অনুদানের পরিমাণ কমে আসায় শিক্ষকদের বেতন এবং সম্মানী নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা সঙ্কট, শঙ্কা। এক্ষেত্রে সহযোগীতার ঘোষণা দিয়েছে কওমি মাদরাসা সমূহের বৃহত্তর শিক্ষাবোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া।
করোনা পরিস্থিতিতে সঙ্কট উত্তরণের জন্য দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মাদরাসাগুলোতে নির্দিষ্ট হারে সহায়তা করা হবে বলে জানিয়েছেন বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়ার সহ সভাপতি মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন রাজু।
এছাড়াও বেফাক থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতেও এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাস মহামারীতে গোটা বিশ্ব আক্রান্ত। বিশ্বব্যবস্থাপনা আজ থমকে গিয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকায় ইতোমধ্যে বেফাকভূক্ত সকল মাদরাসা বাধ্যতামূলক বন্ধ ঘোষণার পাশাপাশি বেফাকের অধীনের পরিচালিত ৪৩ তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষা সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উদ্ভত পরিস্থিতিতে বেফাক অধীনস্থ মাদরাসাসমূহের আর্থিক ও শিক্ষাব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছে। আকস্মিক বন্ধ ঘোষণায় অসংখ্য সম্মানিত শিক্ষক বিনা বেতনে দিনাতিপাত করছেন। বেফাকের সম্মানিত চেয়ারম্যান আল্লামা আহমদ শফির নির্দেশে মুরুব্বীগণের পরামর্শক্রমে এ সঙ্কটাপন্ন সময়ে শিক্ষকবৃন্দের পাশে থাকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। এক্ষেত্রে বেফাক তার নিজস্ব অর্থখাত ও জনসাধারণের সহযোগিতায় একটি তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
















